জামায়াতে ইসলামীর সিনিয়র সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের যুদ্ধাপরাধ মামলার বিচারকার্য শেষ হয়েছে। দীর্ঘ্য ৪ বছর ৬ মাস ৪ দিন সময় লেগেছে মামলাটি নিষ্পত্তি করতে।

হাইকোর্ট এলাকা থেকে ২০১০ সালের ১৩ জুলাই কামারুজ্জামানকে আটকের পর একটি মামলায় গ্রেফতার দেখায় পুলিশ। একই বছর ২ আগস্ট তাকে একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতার দেখানো হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দীর্ঘ শুনানি শেষে ২০১৩ সালের ৯ মে কামারুজ্জামানকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। পরে ওই বছরের ৬ জুন কামারুজ্জামান ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন।

কামারুজ্জামানের আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৪ সালের ৩ নভেম্বর তৎকালীন জ্যেষ্ঠ বিচারপতি ও বর্তমান প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ কামারুজ্জামানকে ট্রাইব্যুনালের দেয়া ফাঁসির আদেশ বহাল রেখে চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেন।

এরপর চলতি বছর আপিলের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করা হয় ১৮ ফেব্রুয়ারী। সেটি পকোশের পর ট্রাইব্যুনাল কামারুজ্জামানের মৃত্যু পরোয়ানা জারি করেন। তবে কামারুজ্জামান আপিল বিভাগের রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন করলে স্থগিত হয়ে যায় মৃত্যু পরোয়ানার কার্যকারিতা।

সোমবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বধীন ৪ বিচারপতির কামারুজ্জামানের করা রিভিউ আবেদনটি খারিজ করে, তার মুত্যুদণ্ড বহাল রেখে রায় ঘোষনা করেন।

বেঞ্চের অপর তিন বিচারপতি হলেন বিচারপতি মো. আব্দুল ওয়াহাব মিঞা, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী।

এআর