বেসিক ব্যাংকের চারটি শাখা থেকে ঋণ জালিয়াতির সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগ অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
২০১২ সালের অক্টোবর থেকে দুদকের উপ-পরিচালক আখতার হামিদ ভূঁইয়ার নেতৃত্বে একটি টিম অনুসন্ধানী কার্যক্রম শুরু করে।
পরে দুদকের পরিচালক আবু তোরাবের তত্বাবধানে উপ-পরিচালক আবুল হোসেন অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছেন।
এদিকে অভিযোগ রয়েছে,ব্যাংকের শান্তিনগর শাখা থেকে ২০১২ সালের প্রথম ১০ মাসে প্রায় ৯০০ কোটি টাকা ঋণ দেয়া হয়। এসব ঋণের বিপরীতে মর্টগেজ রাখা হয়নি। নিয়ম ভেঙ্গে ঋণ দেয়ায় ব্যাংকটির কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে ওই সময় বিশেষ অবসরে পাঠানো হয়।
অভিযোগ রয়েছে,খেলাপি ঋণের তথ্য গোপনসহ কোনো কোনো ক্ষেত্রে একক গ্রহীতার সর্বোচ্চ ঋণসীমাও লঙ্ঘন করা হয় এসব ক্ষেত্রে। একইভাবে গুলশান শাখা থেকে ১৬টি নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানকে প্রায় ১ হাজার ৩৬০ কোটি টাকা ঋণ প্রদান,নয়টি প্রতিষ্ঠানের বিপরীতে অনুমোদনহীন ঋণসীমা এবং ৬টি ভুয়া প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এলসি খুলে বিদেশে অর্থ পাচারের সুযোগ তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ভুয়া বন্ধক দেখিয়ে এ শাখা থেকে আরো ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। আর ব্যাংকটির দিলকুশা শাখায় ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকার ঋণ অনিয়ম হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
ঢাকা, একে, ১২ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম) // কেএইচ
অপরাধ
বেসিক ব্যাংকের সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা ঋণ জালিয়াতি
বেসিক ব্যাংকের চারটি শাখা থেকে ঋণ জালিয়াতির সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগ অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০১২ সালের অক্টোবর থেকে দুদকের উপ-পরিচালক আখতার হামিদ ভূঁইয়ার নেতৃত্বে একটি টিম অনুসন্ধানী কার্যক্রম শুরু করে।





