মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা জাহিদ হোসেন খোকনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের ২১ ও ২৩ নম্বর সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ। সাক্ষী দু'জন হলেন মঞ্জুয়ারা বেগম ও মো. বতু মিয়া।
সোমবার চেয়ারম্যান বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বে ৩ সদস্যের প্রথম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।
সাক্ষ্য শেষে তাদের জেরা করেছেন আসামিপক্ষের রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী আব্দুশ শুকুর খান। জেরা শেষে মামলার কার্যক্রম আগামী ১৮ মার্চ ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।
২১তম সাক্ষী মঞ্জুয়ারা বেগম বলেন,১৯৭১ সালের জৈষ্ঠ্য মাসের কোনো একদিন ভোর ৬’টার দিকে বাগাট গ্রামে আমার নানী বাড়িতে খেজুর কুড়াচ্ছিলাম। তখন উত্তর দিক থেকে আসামী খোকন রাজাকার ও তার সহযোগী এবং পাকিস্তানি আর্মিরা আমার নানাবাড়ি এসে আগুন ধরিয়ে দিয়ে পাশেই মিনি বেগমের বাড়িতে যায়।
তিনি বলেন,ওই সময় রাজাকার ও পাকিস্তানি আর্মিরা মিনি বেগমের বাবা,দাদী,নানী এবং দুই ভাইকে ঘর থেকে বের করে উঠানে লাইন করে দাঁড় করায়। এ সময় মসজিতে কোরআন পাঠরত অবস্থায় আমার নানা আমজাদ মুন্সীকে খোকন রাজাকার টেনে বের করে এনে লাইনে দাঁড় করিয়ে তাদের গুলি করে হত্যা করে।
তিনি বলেন,তিনি এ ঘটনা খেজুরের ঝোঁপের আড়াল থেকে দেখতে পেয়েছিলেন। এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে খোকন রাজাকার ও তার সহযোগিরা গুলি করতে করতে গ্রামের পশ্চিম দিকে চলে যায়। এদিন এ গ্রামের ১২/১৩ জন নিরীহ লোককে হত্যা করে বলে সাক্ষী জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন।
২৩তম সাক্ষী মো. বতু মিয়া একই ঘটনার সাক্ষ্য দেন।
গত বছরের ৯ অক্টোবর জাহিদ হোসেন খোকনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের ১১টি অভিযোগ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল।
[b]ঢাকা,জিই, ১০ মার্চ (টাইমিনউজবিডি.কম) // কেএইচ
[/b]