রাজধানীর আদাবরে পরকীয়ার বলি শিশু খন্দকার সামিউল আজিম ওয়াফি (৫) হত্যা মামলায় দুই জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

আজ (২০ ডিসেম্বর) রোববার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম এই রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি হলেন- শিশু সামিউলের মা আয়েশা হুমায়রা এশা ও এশার প্রেমিক শামসুজ্জামান আরিফ ওরফে বাক্কু (৪৩)। এছাড়া দুজনকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

রায় ঘোষণার সময় দু’জনই পলাতক ছিলেন। জামিনে থাকা এশা গত ২৩ নভেম্বরের পর আর আদালতে হাজির হননি। ওইদিনই আদালত জামিন বাতিল করে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। আর এশার প্রেমিক শামসুজ্জামান আরিফ ওরফে বাক্কু (৪৩) আগে থেকেই পলাতক ছিলেন।

গত ০৮ ডিসেম্বর রায়ের দিন ঘোষণা করেছিলেন আদালত। কিন্তু সেদিন রায় প্রস্তুত না হওয়ায় বিচারক আজ (২০ ডিসেম্বর) রোববার পুনরায় রায়ের তারিখ ঘোষণা করেন।

গত ২৪ জুন সামিউলের লাশ আদাবরের নবোদয় হাউজিং এলাকা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় নিহত শিশুর বাবা কেএ আজম বাদী হয়ে ২৪ জুন আদাবর থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলার তথ্যানুযায়ী, আসামি হুমায়রা ও শামসুজ্জামানের পরকীয়া দেখে ফেলায় ২০১০ সালের ২৩ জুন সামিউলকে অপহরণ করে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় সামিউলের বাবা কে আর আজম বাদী হয়ে আদাবর থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলাটি তদন্ত করে পরের বছর ২৫ অক্টোবর হুমায়রা ও শামসুজ্জামানের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়া হয়। ২০১২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। ২৩ নভেম্বর রায়ের দিনক্ষণ ঠিক করেন আদালত।

এমবি