দেড়শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সনদ জালিয়াতি অবৈধ শিক্ষক নিয়োগ আয়-ব্যয়ের হিসেবে গড়মিলসহ নানা অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি।

শুধু দুই মাসেই এসব প্রতিষ্ঠানে আর্থিক অনিয়ম আড়াই কোটি টাকার। এমপিও বাতিলসহ এদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

মুন্সীগঞ্জের হোসেন আলী উচ্চ বিদ্যালয়। স্কুলটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুমোদন ছাড়া শাখা খুলে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে শিক্ষার্থী ভর্তি করছে। ঘুষ নিয়ে নিয়োগ দিয়েছে জাল সনদধারী শিক্ষক। অর্থিক অনিয়মও কয়েক লাখ টাকার। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদন্তে উঠে এসেছে এসব দুর্নীতি।

তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদন্তে উঠে আসা দুর্নীতি অস্বীকার করছেন বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক।

হোসেন আলী উচ্চবিদ্যালয়ের মতো, সারা দেশে দেড় শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতির প্রমাণ পেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর। তদন্ত চলছে আরো পাঁচ শতাধিক স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার।

দুর্নীতিতে অভিযুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন ও এমপিও বাতিলসহ কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। শিক্ষাবিদরা বলছেন, দুর্নীতি ঠেকাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের হিসাবে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গত দুই দশকে ৬৩৫ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম হয়েছে।
জেড