রাজধানীর রামপুরায় এক গৃহবধূ গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় ইমরান নামের এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
জানা যায়, বুধবার সকাল ৮টার দিকে রামপুরা বাসস্ট্যান্ডের কাছ থেকে তিন তরুণ ওই গৃহবধূকে অপহরণ করে। পরে জামতলা বস্তির একটি ঘরে আটকে রেখে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে আটকে রাখে। এক সময় গৃহবধূ ঘরের জানালা দিয়ে পালিয়ে যান।
রামপুরা থানার কর্তব্যরত কর্মকর্তা উপ পরিদর্শক (এসআই) আবদুর রশীদ জানান, প্রায় ৭ মাস আগে ইমরান হোসেন কাজল নামের এক যুবকের সঙ্গে বিয়ে হয় ওই গৃহবধূর। তিনি সবুজবাগ এলাকায় ভাড়া থাকতেন। বিয়ের দুই মাস পর স্ত্রীকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি রংপুর গেলে ইমরানের বাবা-মা তাদের বিয়ে মেনে নিতে অস্বীকার করেন। পরে শ্বশুর বাড়ি থাকতে না পেরে ওই গৃহবধূ ঢাকায় ফিরে এসে পূর্ব রামপুরায় তার ফুফুর বাসায় ওঠেন।
তিনি জানান, শ্বশুর-শাশুড়ী বিয়ে মেনে না নিলেও ইমরানের সঙ্গে তার সম্পর্ক ঠিক ছিল। ইমরান প্রায়ই রংপুর থেকে ঢাকায় এসে স্ত্রীর সঙ্গে বসবাস করতন। ঘটনার দিন ইমরানের রংপুর থেকে ঢাকা আসার কথা ছিল। সকাল ৮টার দিকে স্বামীকে বাসস্ট্যান্ড থেকে আনতে গেলে রামপুরার ইমরান নামের আরেক যুবকসহ অজ্ঞাত আরও দুজন গৃহবধূকে মুখ বেঁধে অপহরণ করে। সেখান থেকে পালিয়ে এসে এই গৃহবধূ তার ফুফুকে সব খুলে বলেন। পরে বুধবার রাত ৮টায় রামপুরা থানায় ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।
এঘটনায় অভিযুক্ত ইমরান হোসেনকে (২২) আটক করে এবং ধর্ষিতাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরীক্ষার জন্য ভর্তি করা হয়েছে।
এআই





