সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এম মোরশেদ খান ও তারস্ত্রী ও ছেলের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং মামলায় জয়েন্ট স্টক কোম্পানীর রেজিষ্ট্রার দফতরের ৩ জনকে সাক্ষ্যি হিসেবে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার দুদকের উপ পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলীর স্বাক্ষরে পাঠানো তলবি নোটিশে আগামী ৩০ অক্টোবর সকাল ১০ টায় ওই ৩ কর্মকর্তাকে দুদকে আসতে বলা হয়েছে।
এদের মধ্যে রয়েছেন-উচ্চমান সহকারী আবুল কালাম, অ্যাকাউন্ট পরীক্ষক মো. সিরাজ উদ্দিন এবং সহকারী রেজিষ্ট্রার রনজিত কুমার রায়। রাজধানীর ১ নম্বর কাওরান বাজার টিসিবি ভবন ঠিকানায় জয়েন্ট স্টক কোম্পানীর রেজিষ্ট্রারের দফতরের দুদকের এ তলবি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
জানা যায়, দুদকের উপপরিচালক মো. মনিরুজ্জামান গত বছর ৩১ ডিসেম্বর গুলশান থানায় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোরশেদ খান, তার স্ত্রী নাসরিন খান এবং ছেলে ফয়সাল মোরশেদ খানের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে মামলাটি করেন। মামলা নম্বর ৩৬।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, আসামি মোরশেদ খানের প্রতিষ্ঠান ফারইস্ট টেলিকম লিমিটেডের মাধ্যমে মোট ১১টি বিভিন্ন ধরনের ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে ৩২১ কোটি ৭ লাখ ৫৩ হাজার ৩৫৯ টাকা বিদেশে পাচার করেন। মোরশেদ খান বিএনপি সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালে এ অর্থ পাচার করেন। দুদক বিভিন্ন ব্যাংকে ফারইস্ট টেলিকমের নামে ৪টি এফডি হিসাব, একটি ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড হিসাব, একটি ইউএসডি কারেন্ট হিসাব ও একটি ইউএসডি সেভিংস হিসাব খুঁজে পেয়েছে।
এছাড়া হংকং এ স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকে প্রায় ২০ লাখ মার্কিন ডলার জমা রয়েছে সাবেক পররাষ্ট্রমস্ত্রী মোরর্শেদ খান ও তার ছেলের নামে। যা ইউএসডি সেভিংস ও একটি হংকং ডলার সেভিংস হিসাব এবং ওই ব্যাংকে ছেলে ফয়সালের নামে একটি ইউএসডি সেভিংস ও একটি হংকং ডলার সেভিংস হিসাবে এসব অর্থ লেনদেনের তথ্য পেয়েছে দুদক।
একে, জেএ





