নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির প্রো-ভিসি অধ্যাপক ডক্টর গিয়াস উদ্দীন আহসানকে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। তার সঙ্গে তার ভাগ্নে আলম চৌধুরী ও বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাড়ির কেয়ারটেকার মাহবুবুর তুহিনকে একই ধারায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। রবিবার গ্রেফতারকৃতদের জিজ্ঞাসবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে।
শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ই ব্লকের তেনামেন-৩ এর এ/৬ থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। এই ফ্ল্যাটটির মালিক নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির প্রো-ভিসি গিয়াসউদ্দিন আহসানের স্ত্রী।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ তথ্য পেয়েছে, হলি আর্টিজানের হামলার পরিকল্পনাটি বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এই ফ্ল্যাটেই হয়েছিল। হামলাকারী নিহত জঙ্গিরা এই বাসাতেই অবস্থান করছিল। ঘটনার দিন ১ জুলাইন রাতে তারা এই ফ্ল্যাট থেকেই হলি আর্টিজানের উদ্দেশে রওনা হয়। তবে ফ্ল্যাটের মালিকের সাথে জঙ্গিদের কোনো সম্পর্ক আছে কিনা সে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির প্রো-ভিসিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যদিও হামলাকারী নিহত জঙ্গিদের মধ্যে নিব্রাস ইসলান নর্থ সাউথের সাবেক শিক্ষার্থী।
এর আগে হলি আর্টিজানে হামলার পর নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির সাবেক শিক্ষক হাসনাত রেজা করিম ও কানাডা প্রবাসী শিক্ষার্থী তাহমিদকে আটক করে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে। তাদের এই দুইজনের বিষয়ে পুলিশ জানিয়েছে, আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে। তবে তাদের পরিবারের দাবি, তারা এখনো বাসায় ফেরেনি।
ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের একজন কর্মকর্তা জানান, হলি আর্টিজানে হামলার সঙ্গে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির একাধিক শিক্ষক ও শিক্ষার্থী জড়িত থাকতে পারে।
এআই





