মৃত্যুদণ্ড সংক্রান্ত্র নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০৫-এর ৬ (২) ধারাকে অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের রায় যে কোন দিন ঘোষণা করবেন সুপ্রিমকোর্ট।

মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির বেঞ্চ শুনানী শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমান (সিএভি) রাখেন।

বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) এর রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ২০১০ সালের ২ মার্চ আইনের এই ধারাটি অসাংবিধানিক ঘোষণা করে রায় দেন।

হাইকোর্টের দেয়া এ রায়ের বিরুদ্ধে সরকার সুপ্রিমকোর্টে আপিল দায়ের করেন।

মানিকগঞ্জের শিবরামপুরে এক কিশোরিকে ধর্ষণ করে হত্যার ঘটনায় ১৯৯৭ সালে পুলিশ বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।

শুনানী শেষে মামলার আসামি শুকুর আলী(১৪) নামের এক কিশোরকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে রায় ঘোষণা করেন বিচারিক আদালত।

পরবর্তিতে এ রায়ের বিরুদ্ধে আসামী পক্ষ আপিল করলে আইনে অন্য শাস্তি না থাকায় হাইকোর্টও একই রায় ঘোষণা করেন। এরপর আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস আইনের ওই ধারাককে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে এ বিষয়ে একটি রিট দায়ের করেন।

শুনানী শেষে ২০১০ সালের ২ মার্চ হাইকোর্ট এই ধারাকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে রায় দেন।

হাইকোর্টের এ রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিমকোর্টে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। শুনানী শেষে আপিল বিভাগ যে কোন দিন(সিএভি)এ রায় ঘোষণা করবেন মর্মে আদেশ দেন।

মঙ্গলবার আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মাহবুবে আলম।

এআর