বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ করপোরেশন (বিআরটিসি) পরিচালক কর্নেল আবদুল্লাহহিল করিমসহ ৪ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুদক।

ওই কর্মকর্তারা হলেন- পরিচালক (কারিগরি) কর্ণেল আবদুল্লাহিল করিম, পরিচাকলক (অর্থ) মুনসি ইকবাল হোসেন, জিএম (হিসাব) মামসুল আলম এবং হিসাব রক্ষক মো. রমজান হোসেন।                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত দুদকের উপ-পরিচালক হামিদুল হাসান তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

এর আগে সাবেক পরিচালক (বর্তমানে যুগ্ম সচিব) নিখিল রঞ্জন রায় এবং সাবেক পরিচালক (বর্তমানে উপ-সচিব) এস.এম. ফয়সাল আলমকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, বিআরটিসি’র ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (অপারেশন) খান কামাল উদ্দিনের অবৈধ নিয়োগ ও পদোন্নতি প্রদানের ক্ষেত্রে অনিয়ম এবং দুর্নীতি হয়েছে।  অভিযোগের অনুসন্ধানের স্বার্থেই তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

জানা যায়, ১৯৮৭ সালে তৎকালীন যোগাযোগমন্ত্রীর সুপারিশে বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই বিআরটিসিতে চাকরি নেন খান কামাল উদ্দিন। চাকরি গ্রহণের পরপরই তিনি প্রতিষ্ঠানটিতে নানামূখী দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন।

তিনি মতিঝিল ডিপোর দায়িত্বে থেকে সরকারের ৮৮ লাখ ৫৯ হাজার ৪৭৫ টাকা অনাদায়ী রেখেছেন। বিষয়টি অডিট আপত্তিতে রয়েছে। দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল অর্থ-সম্পদের মালিকও হন।

আরো অভিযোগ রয়েছে, বরিশালে কামাল উদ্দিন খানের ৫ তলা বাড়ি রয়েছে। রাজধানীতে ফ্ল্যাট ও প্লট।

এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ আসার পর দুদক বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য সিন্ধান্ত নিয়ে  অনুসন্ধান শুরু করে। 

একে, জেএ