দৈনিক প্রথম আলোর সম্পাদক  মতিউর রহমান ও যুগ্ম সম্পাদক মিজানুর রহমান খানকে আদালত অবমাননার অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন সুপ্রিমকোর্ট। নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থণা করায় তাদের এ অব্যাহতি দেয়া হয়।

সোমবার  প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বে ৮ বিচারপতির আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে প্রথম আলোর পক্ষে শুনানি করেন ড. কামাল হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

আদালত বলেন, ‘কোর্ট সম্পর্কে লিখতে, যেই লিখুন, ভাল ভাবে জেনে দ্বায়িত্বশীলতার সঙ্গে লিখতে হবে।’

এর আগে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ নিয়ে নিবন্ধ লেখার  জন্য গত ১৫ ডিসেম্বর প্রথম আলোর সম্পাদক  মতিউর রহমান এবং যুগ্ম সম্পাদক মিজানুর রহমান খানকে তলব করেন আপিল বিভাগ।

একইসঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ কেন আনা হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। প্রথম আলোয় প্রকাশিত ‘প্রধান বিচারপতিকে বেছে নেওয়া’শিরোনামে মিজানুর রহমান খানের লেখা নিবন্ধটি ওইদিন ব্যারিস্টার সিরাজুম মুনিরের পক্ষে আপিল বিভাগে তুলে ধরেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার রোকনউদ্দিন মাহমুদ।

এ বিষয়ে আদালত জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মাহমুদুল ইসলাম, আজমালুল হোসেন কিউসি ও অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের অভিমত জানতে চান।

আজমালুল হোসেন কিউসি আদালতকে বলেন, ‘মিজানুর রহমান খান বারবার এ ধরনের আদালত অবমাননাকর কাজ করে আসছেন। সম্প্রতি আদালত অবমাননার জন্য তার বিরুদ্ধে হাইকোর্টের রায়ও হয়েছে।’আদালত অবমাননার কার্যক্রম গ্রহণের পরামর্শ দেন তিনি।

অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, ‘কলামটি লেখা ও প্রকাশের জন্য এমন একটি সময় বেছে নেওয়া হয়েছে, যখন বর্তমান প্রধান বিচারপতির মেয়াদ শেষের দিকে। এ কলামের কারণে জনমনে বিচারাঙ্গন নিয়ে ধূম্রজালের সৃষ্টি হতে পারে।’

এমকে