দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর সংশোধিত আইন ২০১৩ এর ২৮(গ) ধারা কেন বাতিল করা হবে না তা জানতে চেয়ে দুই সপ্তাহের রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
বুধবার বিচারপতি কাজী রেজাউল হক ও বিচারপতি আলতাফ হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
বিবাদী আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়ের সচিব, দুদক চেয়ারম্যান ও  জাতীয় সংসদের স্পীকারকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এর আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি দুদক আইনের ২৮(গ) ধারার বৈধতা চ্যালেঞ্জ এবং সংশোধিত আইনের এ ধারাটি বাতিলের জন্য রিট আবেদন দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. ইউনুস আলী আকন্দ।
রিটের বিষয়ে জানতে চাইলে রিটকারী আইনজীবী ড.আকন্দ বলেন, কমিশন বা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী বা সাধারণ নাগরিক যে কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো মিথ্যা তথ্য প্রদান করলে আইনের ২৮(গ) ধারার (২)-এর ১ উপধারায় তাদেরকে অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে এবং কমপক্ষে দুই বছর এবং সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের সশ্রম কারারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড  অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
এই ধারার ফলে মামলা দায়েরকারী কর্মকর্তা এবং অভিযোগকারী অভিযোগ করতে আগ্রহ হারাবে।
এ আইন ব্যবহার করে অভিযোগকারীকে ষড়যন্ত্রমুলকভাবে মিথ্যা তথ্যদাতা প্রতিপন্ন করে ফাঁসানোর সম্ভাবনাও রয়েছে।
২০০৪ সালের আইনে সুস্পষ্টভাবে কমিশনের স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে। এই আইনের ২০(১) ধারায় বলা হয়েছে, ফৌজদারি কার্যবিধিতে যা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীনে অপরাধ কমিশন কর্তৃক তদন্তযোগ হবে। দুদক আইনের ২৪ ধারায় দায়িত্ব পালনে কমিশনকে স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে।
এর আগে এক রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ৩০ জানুয়ারি দুদক আইনের ৩২(ক) উপধারা অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেয় হাইকোর্ট।
গত ১১ নভেম্বর ‘দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) বিল-২০১৩’ সংসদে পাস হয়।
[b]ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ৫ (টাইমনিউজবিডি.কম) // জিই//এসএইচ[/b]