চলতি সপ্তাইে সোনার বার আত্মসাৎ মামলার আসামি ৪ পুলিশের গ্রামের বাড়ি পরিদর্শনে যাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্ত টিম।

সোনার বার আত্মসাৎ মামলার আসামি রামপুরা থানার এসআই মঞ্জুরুল ইসলাম, কনস্টেবল আকাশ চৌধুরী, কনস্টেবল ওয়াহেদুল ইসলাম এবং ড্রাইভার সজিব সিকদার। ডিবি পুলিশ আসামিদের গ্রামের বাড়ি গাজীপুরের টঙ্গি, কালিয়াকৈর, নারায়ণগঞ্জ এবং বগুড়া থেকে ১৪৯টি সোনার বার উদ্ধার করে।

মামলার তদন্ত পর্যায়ে উপ-পরিচালক যতন কুমার রায় উদ্ধারের স্থল সরেজমিন পরিদর্শন করবেন বলে জানা যায়। কারণ চলতি মাসে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের টার্গেট রয়েছে তদন্তকারী কর্মকর্তার।

সূত্রমতে, গত ১৩ মার্চ রামপুরা থানা পুলিশ ২৩৫টি সোনার বারসহ প্রাইভেট কার আটক করে। পরে পুলিশ ১৬৫টি সোনার বার আত্মসাৎ করে। তারা ৭০টি সোনার উদ্ধার দেখায়। এদিকে উদ্ধারকৃত ১৬টি সোনার বারের এখনো হদিসই মেলেনি।

গত ৭ এপ্রিল ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) বাদী হয়ে মামলা করে। পরে মামলাটি দুদকে স্থানান্তরিত হয়। এ মামলায় প্রথমে ৩ পুলিশসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে আরো ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

এদিকে রমনা জোনের সহকারি পুলিশ কমিশনার শিবলী নোমানের বিরুদ্ধে স্বর্ণসহ গ্রেফতারকৃত আসামিদের ছেড়ে দিতে তদবির করেন। এমন অভিযোগে গত ১৬ জুন শিবলী নোমানকেও দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

এর আগে ২৭ এপ্রিল রামপুরার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কৃপা সিন্দু বালা, ওসি (তদন্ত) নাসিম আহমেদ, এসআই কামরুজ্জামানকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় । ৭ মে ডিবির ৯ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় । এ পর্যন্ত মোট ২২ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয় ডিবির ১৯ কর্মকর্তার।

ঢাকা, একে, ৫ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) // কেএইচ