চোরাচালানের মাধ্যমে সন্ত্রাস অত্যন্ত শক্তিশালী হয়ে পড়ে। এ জন্য পরিস্থিতি মোকাবেলায় সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর আয়োজিত ‘চোরাচালান ও শুল্ক ফাঁকি রোধে করণীয়’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় শনিবার তিনি এ কথা বলেন।

এনবিআর চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে সভাটি রাজধানীর কাকরাইলে অবস্থিত ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশে (আইডিইবি) অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন দেশের মধ্যে যাতে শুল্ক বাধাগুলো না থাকে, সে জন্য আমরা বহুদিন ধরে বর্ডার লেস (সীমান্তহীন) দেশের কথা বলে আসছি। এটা আমাদের স্বপ্নও ছিল। কিন্তু বিভিন্ন দেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির কারণে যতদিন যাচ্ছে সেই আশা তত দূরে সরে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, বর্ডার (সীমান্ত) দিয়ে বেশকিছু পণ্য প্রবেশ করে যেগুলো আমরা পছন্দ করি না। এমন তিনটি পণ্য হলো সোনা, কোকেন ও টাকা। এ ছাড়াও বিভিন্ন পণ্য অবৈধভাবে সীমান্ত দিয়ে দেশের ভিতর ঢোকে। এসব চোরাচালানের মাধ্যমে সন্ত্রাস অত্যন্ত শক্তিশালী হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, মুক্তবাজারের কথা চিন্তা করে আমরা শুল্ক অনেক কমিয়ে দিয়েছি। এক সময় রাজস্ব আয়ে শুল্কের অবদান সব থেকে বেশি ছিল। এখন রাজস্ব আয়ে শুল্কের অবদান সব থেকে কম। তবে এখন কিছু শুল্ক রাখা হয়েছে। সন্ত্রাস বা অপরাধ আটকাতেই আমাদের এ ব্যবস্থা (শুল্ক আরোপ) করতে হয়েছে।

এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. মইনুল খান।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি আব্দুল মাতলুব আহমেদ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোজাম্মেল হক খান, মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুর রশীদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।

এসএইচ