সারাদেশে মাদকের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ অভিযান চলছে। অভিযানের সময় বন্দুকযুদ্ধ, গোলাগুলি ও গণপিটুনিতে রাজধানীসহ সারাদেশে ১৪ জন নিহত হয়েছেন।
সোমবার (২৮) মধ্যরাত থেকে মঙ্গলবার ভোর পর্যন্ত চলা এসব ঘটনায় যশোরে তিন, কুষ্টিয়ায় দুই, কুমিল্লায় দুইজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া রাজধানী ঢাকা, বরগুনা, সাতক্ষীরা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নারায়ণগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও ও ভালুকায় একজন করে নিহত হয়েছেন।এ নিয়ে ১৫ দিনে ১০৬ ছাড়িয়ে নিহতের সংখ্যা।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, নিহতরা সবাই মাদক ব্যবসায়ী। তাদের নামে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
ঢাকা: রাজধানীর দক্ষিণখানে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মোহাম্মদ সুমন ওরফে খুকু সুমন (৩৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন।
সোমবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে দক্ষিণখানে আশিয়ান সিটির মাঠে এ ঘটনা ঘটে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের উত্তরা বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার নূরুল আলম জানান, তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশের একটি দল রাতে আশিয়ান সিটির মাঠে অভিযানে যায়। ঘটনাস্থলে পৌঁছানো মাত্রই মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে পুলিশের দুই সদস্য আহত হন। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। একপর্যায়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে খুকু সুমনের লাশ পাওয়া যায়।
তিনি জানান, ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, চারটি ককটেল এবং এক হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। আহতদের টঙ্গী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নিহত সুমন ওই এলাকার একজন ‘চিহ্নিত মাদক বিক্রেতা’ এবং তার বিরুদ্ধে থানায় মাদক আইনের চারটি মামলা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে আবুল হোসেন সুমন ওরফে টাওয়ার সুমন (৩৫) নামে এক ডাকাত নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ মে) ভোরে উপজেলার বারদী ইউনিয়নের শান্তিরবাজার এলাকায় এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।
সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোর্শেদ আলম জানান, সোনারগাঁওয়ের বারদী শান্তির বাজারে একদল সশস্ত্র ডাকাত ডাকাতি করার প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন খবরের ভিত্তিতে পুলিশের একটি দল অভিযান চালায়। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকতরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালালে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়।
পুলিশের গুলিতে একপর্যায়ে ডাকাতরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে টাওয়ার সুমনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে পুলিশ দ্রুত তাকে উদ্ধার করে সোনারগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি জানান, এ ঘটনায় চার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি গুলিভর্তি ওয়ান শুটারগান, একটি রামদা ও দু'টি বড় ছোড়া এবং ডাকাতি করার সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও জানান, আবুল হোসেন সুমন ওরফে টাওয়ার সুমনের বাড়ি আড়াইহাজারে। তার বিরুদ্ধে সোনারগাঁও ও আড়াইহাজার থানায় ১১টি মামলা রয়েছে। তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনালের হাসাপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
যশোর: যশোর শহরের চাঁচড়া রায়পাড়া এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীদের গোলাগুলিতে মানিক ও আছির নামে দুই মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন।
সোমবার (২৮ মে) রাত ৩টার পর চাঁচড়া রায়পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
এছাড়া যশোর-মাগুরা মহাসড়কের নোঙরপুর বাজারের কাছে ডাকাতি করতে গিয়ে গণপিটুনিতে বুলি নামে আরও এক ব্যক্তি (৪০) নিহত হয়েছে। ডাকাত বাহিনীর প্রধান বুলির বিরুদ্ধে থানায় ১৪টি মামলা রয়েছে।
যশোর কোতোয়ালি থানার এসআই মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, ‘চাঁচড়া এলাকায় দুই দল মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে গোলাগুলি হচ্ছে বলে খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে হাজির হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক বিক্রেতারা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল তল্লাশি করে দু’টি মরদেহ মেলে।’
তিনি জানান, ঘটনাস্থল থেকে দু’টি পিস্তল, পাঁচ রাউন্ড গুলির খোসা এবং দুই প্যাকেট ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
কুষ্টিয়া: কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের শেহালা মাঠে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে দু’জন নিহত হয়েছেন। তারা হলো, মুকাদ্দেস আলী (৪২) ও ফজলুর রহমান ওরফে টাইটেল (৪৮)। নিহত দুইজনই মাদক ব্যবসায়ী বলে পুলিশ জানিয়েছে।
সোমবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার বোয়ালিয়া ইউনিয়নের শেহালা মাঠে এ এ ঘটনা ঘটে।
দৌলতপুর থানার ওসি (তদন্ত) আজগর আলী জানান, একদল মাদক ব্যবসায়ী দৌলতপুর উপজেলার বোয়ালিয়া ইউনিয়নের শেহালা মাঠে মাদক ক্রয়-বিক্রয় করছে- এমন গোপন সংবাদ পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশের টহল দল রাত ৩টার দিকে ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। জবাবে পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে দু’জন মাদক ব্যবসায়ী গুলিবিদ্ধ হয়। পরে তাদের উদ্ধার করে দৌলতপুর হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি দেশীয় বন্দুক, পাঁচ রাউন্ড গুলি, একটি পিস্তলের ম্যাগজিন ও ২৫০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করেছে। নিহত মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা ও ছিনতাইয়ের আটটি করে মামলা রয়েছে।
সাতক্ষীরা: সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলায় মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে কথিত গোলাগুলিতে আনিছুর রহমান নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। সোমবার রাত সোয়া ২টার দিকে উপজেলার কুশোডাঙ্গা ইউনিয়নের চিতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আনিছুর উপজেলার পাকুড়িয়া গ্রামের মৃত সুরত আলীর ছেলে। তার বিরুদ্ধে ১০টি মামলা রয়েছে রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি ওয়ান শুটার, দুই রাউন্ড গুলি ও ৭০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথ জানান, চিতলা এলাকায় মাদক ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে দুই দল মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে গোলাগুলি চলছে-রাতে এমন খবর পেয়ে টহল পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে ইয়াবা সম্রাট আনিছুরকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। তাৎক্ষণিক তাকে উদ্ধার করে কলারোয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আনিছুরের বিরুদ্ধে ১০টি মামলা রয়েছে বলেও জানান ওসি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় দু’গ্রুপের গোলাগুলিতে মাদক ও ডাকাতিসহ ৮ মামলার আসামি জনি মিয়া (৩০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি ডাকাতির মালামাল ভাগাভাগি ও মাদক ব্যবসা নিয়ে পূর্ব বিরোধে সহযোগীদের গুলিতে সে নিহত হয়।
সোমবার (২৮ মে) রাত আড়াইটার দিকে পৌর শহরের খালাজোড়া এলাকার আনোয়ারপুর কুদ্দসের বাগান সংলগ্ন রাস্তার পাশ থেকে নিহতের মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত জনি কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার উপজেলার খাইয়ার গ্রামের ফিরোজ মিয়ার ছেলে। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি দেশীয় পাইপগান, একটি কার্তুজ, দুইটি বড় ছোরা, একটি চাপাতি উদ্ধার করেছে।
আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশারফ হোসেন তরফদার জানান, রাতে ডাকাতি করা মালামাল ও মাদক ব্যবসার পূর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে জনি তার সহযোগীদের মধ্যে গোলাগুলি হয়। পরে গোলাগুলির খবর পেয়ে আখাউড়া থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পৌঁছে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় জনির মরদেহ উদ্ধার করে।
ওসি আরও জানান, জনির বিরুদ্ধে মাদক, ডাকাতি, দস্যুতা ও চোরচালানসহ আখাউড়া ও বিভিন্ন থানায় ৮টি মামলা রয়েছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
কুমিল্লা: কুমিল্লার মুরাদনগরে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুজন মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। সোমবার (২৮ মে) রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার গুঞ্জর বেড়িবাঁধ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন-উপজেলার পৈয়া পাথর এলাকার আব্দুস সামাদের ছেলে লিটন ওরফে কানা লিটন (৩৬) ও বাখরনগর এলাকার সহিদ মিয়ার ছেলে বাতেন মিয়া (৩৪)।
মুরাদনগর থানার ওসি মনজুর আলম জানান, মুরাদনগর উপজেলায় মাদকের চালান পাচার হচ্ছে-এমন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের একটি দল গুঞ্জর বেড়িবাঁধ এলাকায় পৌঁছায়। এ সময় মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি ছোড়ে। এতে এসআই মোজাম্মেল, এএসআই মাসুদুর রহমান ও রোকন আহত হন। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। একপর্যায়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে মাদক ব্যবসায়ী লিটন ও বাতেনের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়।
তিনি জানান, কানা লিটনের বিরুদ্ধে থানায় সাতটি মামলা ও বাতেনের বিরুদ্ধে আটটি মামলা রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ৪০০ বোতল ফেনসিডিল, একটি এলজি, একটি ছুরি ও একটি কার্তুজের খোসা উদ্ধার করা হয়েছে।
ঠাকুরগাঁও: ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে হারুন (৪৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। সোমবার ভোররাতে উপজেলার শীতলপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। হরিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল কুদ্দুস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
ওসি রুহুল কুদ্দুস জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে উপজেলার শীতলপুর এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পরে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। উভয়পক্ষের গোলাগুলিতে হারুন (৪৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ী ঘটনাস্থলে নিহত হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
তিনি আরও জানান, হারুনের বিরুদ্ধে হরিপুর থানায় একাধিক মাদকের মামলা রয়েছে।ঠাকুরগাঁওয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে নিয়ে চারজন নিহত হয়েছে।
ময়মনসিংহ: ময়মনসিংহের ভালুকায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মিজান (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। সোমবার রাত ২টা ১০ মিনিটে ভালুকার পাড়াগাঁও এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এসময় পুলিশের দুই সদস্যও আহত হন। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি আশিকুর রহমান এ খবর নিশ্চিত করেন।
পুলিশের দাবি,মিজান মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে মাদক, অস্ত্র ও ডাকাতির ৯টি মামলা রয়েছে।
ওসি আশিকুর রহমান জানান, সোমবার রাত ২টা ১০ মিনিটের দিকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও ভালুকা মডেল থানা পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মিজান নিহত হয়। এসময় ভালুকা মডেল থানার ইন্সপেক্টর (অপারেশন) আবুল কালাম ও এএসআই শাহআলম আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে ১০০ গ্রাম হেরোইন, তিনটি গুলির খোসা, একটি চাপাতি উদ্ধার করা হয়েছে।
বরগুনা: বরগুনার বেতাগী উপজেলায় র্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ফিরোজ নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। সোমবার রাতে উপজেলার কাজিরাবাদ ইউনিয়নের কুমড়াখালী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
বেতাগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রশিদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৮ এর একটি দল বেতাগী উপজেলার কাজিরাবাদ ইউনিয়নের কুমড়াখালী এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালায়। এসময় ফিরোজ ও তার সহযোগীরা র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি চালালে র্যাবও পাল্টা গুলি চালায়। এক পর্যায়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পিছু হটলে ঘটনাস্থলে ফিরোজের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে।
ঘটনাস্থল থেকে একটি রিভলবার, দুই রাউন্ড গুলি, একটি শুটারগান, বন্দুকের তিনটি গুলি ২৫০টি ইয়াবা ও ৯০০ গ্রাম গাজা উদ্ধার করেছে র্যাব। এএস





