মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযুক্ত জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির আব্দুস সোবহানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের ৩১তম সাক্ষি ও মামলার দ্বিতীয় তদন্ত কর্মকর্তা নুর হোসেনের জেরা শেষ হয়েছে।

এর মধ্যে দিয়ে রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলো। এরপর আগামী ১৫ অক্টোবর আব্দুস সোবহানের সাফাই সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে।

মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানেরনেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের বেঞ্চ রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এ দিন ধার্য্য করেন।

এর আগে গত ৭ এপ্রিল শুরু হয়ে এর আগে সোবহানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা মতিউর রহমানসহ আরও ৩০ জন সাক্ষী। আর জব্দ তালিকার দুই সাক্ষী হচ্ছেন ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার গ্রন্থাগারিক আনিসুর রহমান ও বাংলা একাডেমির সহকারী গ্রন্থাগারিক এজাবউদ্দিন মিয়া।

গত১ এপ্রিল সোবহানের বিরুদ্ধে সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সীমন ও রেজিয়া সুলতানা চমন। গত ২৭ মার্চট্রাইব্যুনাল-১ স্বপ্রণোদিত হয়ে এ মামলাটি ট্রাইব্যুনাল-২ এ স্থানান্তরকরেন।

গতবছরের ৩১ ডিসেম্বর গণহত্যা, হত্যা, অপহরণ, আটক, নির্যাতন, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ ও ষড়যন্ত্রসহ ৮ ধরনের ৯টি মানবতাবিরোধী অপরাধে সোবহানের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল।

গতবছরের ২৩ অক্টোবর ও ২৪ নভেম্বর অভিযোগ গঠনের বিপক্ষে ও অভিযোগ থেকে অব্যাহতি চেয়ে আসামিপক্ষে শুনানি করেন সোবহানের প্রধান আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক ও আইনজীবী অ্যাডভোকেট এস এম শাহজাহান।

গতবছরের ১৯ সেপ্টেম্বর সোবহানের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ)আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। ১৫ সেপ্টেম্বর সুবহানের বিরুদ্ধে ৮৬ পৃষ্ঠার ওই আনুষ্ঠানিক অভিযোগ ট্রাইব্যুনালে জমা দেন প্রসিকিউশন।

২০১২ সালের ২০ সেপ্টেম্বর সকালে টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব প্রান্ত থেকে সোবহানকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

ঢাকা, কেএ, ৩০ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, এআর