সন্দেহভাজন দুর্নীতিবাজ কিংবা অভিযুক্ত ব্যক্তির জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদের অনুসন্ধান ও তদন্ত সম্পর্কে নতুন ৩টি নির্দেশনা জারি করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আজ বৃহস্পতিবার দুদকের ভারপ্রাপ্ত সচিব মাকসুদুল হাসান খানের স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে এ নির্দেশনা কার্যকর করা হয়েছে।

অফিস সার্কুলারে বলা হয়েছে, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা আসামিদের জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদের অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষেত্রে ব্যক্তি কর্তৃক প্রদর্শিত আয় বা সম্পদ এবং ব্যয়ের বিবরণী অনেকাংশেই যথাযথভাবে সঙ্গতিপূর্ণ ও স্ব-ব্যাখ্যাত হয় না।

নির্দেশনাগুলো হলো- (১) সম্পদের (স্থাবর ও অস্থাবর) বছর ভিত্তিক পরিবৃদ্ধি ও পারিবারিক ব্যয়ের সঙ্গে অর্জিত আয়ের সঙ্গতি আছে কিনা তা মিলিয়ে দেখা, (২) আয়ের প্রতিটি উৎস (করযোগ্য আয়, করমুক্ত আয় ও অন্যান্য আয়) দালিলিক প্রমাণাদি দ্বারা সমর্থন করে উপস্থাপন করা ও (৩) ব্যাংক অ্যাকাউন্টে মোট জমার সঙ্গে আয়ের সামঞ্জস্যতা আছে কিনা তা যাচাই করা।

এ নির্দেশনাবলী ‘দুদক হ্যান্ডবুক’ এ জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনে অনুসন্ধানে অনুসরণীয় বিষয়ের অতিরিক্ত হিসেবে পরিপালন করতে হবে বলেও সার্কুলারে বলা হয়।

এ বিষয়ে গত ৬ জুলাই অনুসন্ধান ও তদন্ত অনুবিভাগের সঙ্গে কমিশনের বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। আলোচনায় জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অনুসন্ধান ও তদন্তের ক্ষেত্রে এখন থেকে সংশ্লিষ্ট সকল অনুসন্ধানকারী ও তদন্তকারী কর্মকর্তাদের ৩টি পদ্ধতি অনুসরণ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

জানা যায়, সম্প্রতি বেশ কয়েকটি অভিযোগে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অনুসন্ধান ও কর্মকর্তাদের দুর্বলতা পরিলক্ষিত হয়। জ্ঞাত আয় বহির্ভুত সম্পদের অনুসন্ধান ও তদন্ত যথাযথভাবে সঙ্গতিপূর্ণ না হওয়ায় এ বিষয়েন নতুন করে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

ঢাকা,একে, ১৮ সেপ্টম্বর. টাইমনিউজবিডি.কম,জেএ