মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের ফাঁসির রায় কার্যকর করা হয়েছে।

আজ শনিবার রাত ১০টা ৩০ মিনিটে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রায় কার্যকর করা হয়েছে বলে কারাগার সূত্র নিশ্চিত করেছে।

অবশ্য এর আগে ১০টা ১ মিনিটে ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে বলে খবর প্রকাশ করে বেশ কিছু গণমাধ্যম।

কামারুজ্জামানকে শেরপুরের বাজিতখিলা এলাকার নিজ গ্রামে তার প্রতিষ্ঠিত এতিমখানার পাশে দাফন করা হবে।

গত বুধবার বিকালে বাজিতখিলা মুদিপাড়া এলাকায় এতিমখানার পশ্চিম পাশে একটি ধানক্ষেতের কাঁচা ধানগাছ কেটে সেখানে ট্রাকে করে মাটি ফেলে ভরাট করা হয়েছে।

কামারুজ্জামানের ছোট ভাই মো. কফিল উদ্দিন ও পরিবারের লোকজন সেখানে উপস্থিত থেকে কবরস্থান তৈরি করার কাজ তদারক করেন।

কামারজ্জামানের ইচ্ছা ছিল মৃত্যুর পর লাশ তার প্রতিষ্ঠিত এতিমখানার পাশে যেন দাফন করা হয়। ইচ্ছা অনুযায়ী লাশ দাফনের জন্য পারিবারিকভাবে প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

প্রাণভিক্ষার জন্য তিনি কোনো আবেদন করবেন না বলে জানানোর পর গতকাল শুক্রবার তাঁর ফাঁসি কার্যকরের প্রস্তুতি শুরু হয়। তবে কাল (শুক্রবার) রাতে সব প্রস্তুতির পরও রায় কার্যকর করা হয়নি।

লালবাগ জোনের জেলা প্রশাসক মফিজ উদ্দিন বলেছেন, কেন্দ্রীয় কারাগার চত্ত্বরের নিরাপত্তার জন্য ২০ প্লাটুন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে।

এর আগে মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের সঙ্গে দেখা করেছেন তাঁর স্বজনেরা। শনিবার বিকাল চারটার সঙ্গে দেখা করতে যান তাঁরা। সোয়া এক ঘণ্টা পর তাঁরা বের হয়ে আসেন।

জেডআই