রাজধানীর পুরানা পলটনে ভুয়া রেকর্ডে ১১ কাঠা সরকারি জমি জবর দখলের অভিযোগে শরিয়তপুর সদর সাব রেজিস্টার মো. আবু তালেব মিয়াসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান ও তদন্ত শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
গতকাল বুধবার দুদকের নিয়মিত সভায় দুদকের সহকারি পরিচালক মো.আমিরুল ইসলামকে অনুসন্ধানী কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হয়।
অভিযোগ রয়েছে, ভুমি অফিসের কতিপয় দুর্নীতি পরায়ন ও অর্থলোভী কর্মকর্তা- কর্মচরীদের সহযোগিতায় রাজধানীর কাকরাইল মৌজায় পুরানা পলটনে ৭৪ নং খতিয়ানের ২৩৩ নং দাগের ১৩৯নং প্লটের ১১ কাঠা সরকারি জমির ভুয়া রেকর্ড করা হয়। আর ওই ভুয়া রেকর্ডের বলে হাজার কোটি টাকা মূল্যে এ জমিটি জবর দখলের সুযোগ পেয়েছে।
দুদকের অনুসন্ধানে প্রাথমিক পর্যায়ে অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন, শরিয়তপুর সদর সাব রেজিস্টার মো. আবু তালেব মিয়া, ওই প্লটের মালিক দাবিদার নুর জাহান শরীফ প্লাজা মেসার্স জে সরদার করপোরেশনের মালিক মো. জাহাঙ্গীর আলম,শরীয়তপুরের আবদুস সালামও আনোয়ার হোসেন।
এদিকে দুদকের নিয়মিত সভায় আরো বেশ কয়টি দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান ও তদন্তের জন্য কর্মকর্তা নিয়োগ এবং মামলা দায়েরের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
তিতাস গ্যাসের ব্যবস্থাপক মাসদুর হাসানের বিরুদ্ধে অবৈধ গ্যাস সংযোগ এবং মিটার টেম্পারিংয়ের মাধমে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়েছে। দুদকের পরিচালক মো.আবু তারাবকে এ বিষয়টি অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন দাখিলের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা উপজেলার বওলা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. হাশিম উদ্দিন ও সাবেক উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কমকর্তা এএসএম রওকত হোসেনের বিরুদ্ধে বরাদ্দকৃত ১ লাখ ৭০ টাকার মধ্যে ৯৫ হাজার ৩৯৫ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুদক।
এছাড়া ওই উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এ এসএম রওকত হোসেন ও রামপুর ইউনিয়নের মেম্বার আজিজুল হকের বিরুদ্ধে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে পৃথক মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুদক। একই উপজেলার রুপসী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মে. আমিন উদ্দিন এবং সাবেক উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কমকর্তা এএসএম রওকত হোসেনের বিরুদ্ধে ৮৯ হাজার ৩৯৮ টাকার গম আত্মসাতের অভিযোগে আরো একটি মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুদক।
ঢাকা , একে, ১০ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) // কেএইচ





