বইমেলায় সন্দেহজনক ঘুরাঘুরির কারণে ৯ জন মাদ্রাসা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। এদের মধ্যে ইসলামী ঐক্য জোটের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম মুফতি ফজলুল হক আমিনীর নাতিও রয়েছেন বলে জানা গেছে।

পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে কোনো প্রকার অভিযোগ পাওয়া না গেলে তাদের ছেড়ে দেয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আটকরা হলেন- মাহদি, জামিল, মাসরুর, জাবের., জুবায়ের, সুলতান, আবদুর রহমান, আবদুল্লাহ জুলকারনাইন ও মাহমুদ। তারা বিভিন্ন মাদ্রাসা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। তাদের সবাই লেখালেখি ও শিল্প-সাহিত্যের সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে।

এবিষয়ে শাহবাগ থানার ওসি আবুবকর সিদ্দিকী জানান, গত বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে বইমেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের স্টল নম্বর ১৬৭-তে ডিএমপির সিসি ক্যামেরায় ১১ যুবককে একসঙ্গে দেখায় বিষয়টি সন্দেহ হয় পুলিশের। তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ তাদের মেলার ডিএমপি কন্ট্রোলরুমে নিয়ে যাওয়া হয়।

এরপর তাদের জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্র্ণ তথ্য পাওয়ায় রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা মেট্রো-ছ১৪-০৮-৫৬ নম্বর গাড়িতে করে ওই ১১ জনকে ডিবি পুলিশের রমনা জোনাল টিমের (দক্ষিণ বিভাগ) কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এদিকে ডিএমপির রমনা জোনের ডিসি মারুফ হোসেন সরদার বলেন, ‘কয়েকজন তরুণ একসঙ্গে শুক্রবার সন্ধ্যার পর বইমেলায় ঘোরাঘুরি করছিল। তাদের গতিবিধি সন্দেহজনক হওয়ায় আটক করা হয়। পরে আমরা তাদেরকে কাউন্টার টেরোরিজমের কাছে হস্তান্তর করি।’

কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের উপকমিশনার মহিবুল ইসলাম বলেন, ‘আটক তরুণরা এখন ডিবি কার্যালয়ে আছেন। তাদের যাচাই-বাছাই চলছে। অভিযোগ পাওয়া না গেলে তাদের ছেড়ে দেয়া হবে।’

শুক্রবার রাত ডিবি কার্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে আটক তরুণদের স্বজনরা ভিড় করেছেন। তাদের দাবি, তারা কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত নন। তারা লেখালেখি ও শিল্প-সাহিত্যের সঙ্গে জড়িত। তারা বইমেলায় আড্ডা দিচ্ছিলেন।

মাহমুদ