৭১’র মানবতাবিরোধী অপরাধে দায়ে ট্রাইব্যুনালের রায়ে মৃতুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ কামারুজ্জামানের মামলায় আপিল শুনানিতে প্রসিকিউশনের সাক্ষীর জবানবন্দি ও জেরার অংশ পাঠ শেষ হয়েছে।
মঙ্গলবার সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের বেঞ্চে প্রসিকিউশনের সাক্ষীর জবানবন্দি ও জেরার অংশ পাঠ শেষ করা হয়। পরে মামলার কার্যক্রম আগামীকাল বুধবার পয্ন্ত মুলতবি করেন আপিল বিভাগ।
কামারুজ্জামানের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন তুহিন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন,অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, শিশির মুহাম্মদ মুনির ও মো. শাহিন। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন,অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মমতাজ উদ্দিন ফকির।
কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের অভিযোগ গুলোর মধ্যে ৭ নং অভিযোগের বিষয়ে আনা তিন জন সাক্ষী হামিদুল হক,অ্যাডভোকেট আবুল কাসেম ও দবির হোসেন ভুইয়া এবং তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক খানের জবানবন্দি ও জেরার অংশ পাঠ শেষ হয়।
গত ১৮ মে থেকে কামরুজ্জামানের মামলার আপিল শুনানি শুরু হয়। আজ ষষ্ঠ দিনের মতো তার মামলায় আপিল শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। তার আগে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ঘোষণা করা দণ্ডের বিরুদ্ধে করা আপিল বিভাগে কামরুজ্জামানের মামলার শুনানির জন্য একটি বিশেষ বেঞ্চ গঠন করা হয়। এর আগে কাদের মোল্লা ও মাওলানা দেলওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলায় প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
২০১৪ সালের ৬ জুন ট্রাইব্যুনালের রায়ে মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস চেয়ে আপিল করেন কামারুজ্জামানের পক্ষে তার আইনজীবী। কামারুজ্জামানের আপিলে ২৫৬৪টি মূল ডকুমেন্ট, ১২৪টি গ্রাউন্ডসহ সর্বমোট ১০৫ পৃষ্ঠার ডকুমেন্ট জমা দেয়া হয়েছে।
গত ৯ মে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার রায় ঘোষণা করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। তার বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের আনা ৭টি অভিযোগের মধ্যে ৫টিই সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ হওয়ায় এ রায় ঘোষণা করেন ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া বাকী দুটি অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি মর্মে তাকে খালাস দেয়া হয়।
ঢাকা কেএ ১৭ জুন (টাইমনিউজবিডি.কম)// এসএইচ





