জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাত বছর দণ্ডিত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত মূলতবি করেছেন আদালত। এই সময়ের মধ্যে তার শারীরিক অবস্থার সবশেষ প্রতিবেদন দিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় জামিন শুনানির বিষয়ে আদালতের নির্দেশে বলা হয়েছে, আগামী ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডের রিপোর্ট জমা দিতে হবে। বোর্ডের পাঁচ সদস্যের সকলের স্বাক্ষরসহ এই রিপোর্ট জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ওই দিনই এই মামলার বিষয়ে পরবর্তী জামিন শুনানি হবে।

খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের ওপর শুনানি শেষে প্র্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ রায় দেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে প্র্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।

বৃহস্পতিবার এই মামলায় বেগম জিয়ার পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি জয়নুল আবেদীন। উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী খন্দকার মাহবুব উদ্দিন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন, মাহবুব উদ্দিন খোকন, বিএনপির আইন সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল প্রমূখ।

২০১০ সালের ৮ আগস্ট খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা করে দুদক। গত বছরের ২৯ অক্টোবর মামলায় খালেদা জিয়াকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। পাশাপাশি ১০ লাখ টাকা টাকা জরিমানা করা হয়। এ মামলায় খালেদা জিয়াসহ চার আসামিকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়।

এমএম