সোনালী ব্যাংক হোটেল রুপসী বাংলা শাখার সাবেক ডিজিএম একেএম আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধে ১ কোটি ৭১ লাখ ১০ হাজার টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত অবৈধ সম্পদের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বুধবার সকালে দুদকের উপ সহকারি পরিচালক মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন আসামির বিরুদ্ধে রাজধানীর রমনা মডেল থানায় দুদক ২০০৪ সালের ২৬(২)এবং ২৭(১) ধারায় মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর-২৭।
গতকাল মঙ্গলবার দুদকের নিয়মিত সভায় সোনালী ব্যাংকের সাবেক ডিজিএম একেএম আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের অনুমোদন দেয়া হয়।
এই বিষয়টি নিশ্চিত করেন দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা ও উপ-পরিচালক প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য।
এ মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, সোনালী ব্যাংক হোটেল রুপসী বাংলা শাখার সাবেক ডিজিএম একেএম আজিজুর রহমান ১ কোটি ৭ লাখ ৭৫ হাজর ২শত টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের বিবরণী দুদকে দাখিল করেন।
তার সম্পদের তালিকায় রয়েছে, রামপুরায় উলন মৌজায় বনশ্রী আবাসিক প্রকল্পে রোড নং-৫, ব্লক-সি, প্লট নং-৩৪এর ১৫০০ বর্গ ফুটের একটি দোতলা ফ্ল্যাট বাড়ি ক্রয় করেন। এই বাড়ির মূল্য দেখান ৩০ লাখ ৫ হাজার টাকা।অথচ এই বাড়ির বায়না বাবদ প্রদানকৃত অর্থের পরিমান রয়েছে ৬৬ লাখ ৪৫ হাজার টাকা।
তার সম্পদ বিবরণীতে তথ্য গোপনের মধ্যে রয়েছে বনশ্রী আবাসিক প্রকল্পের ১৫০০ বর্গ ফুটের ফ্ল্যাট বাড়ির ৩৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা, ২০১২ সালে ১৪ আগস্ট মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় উপজেলার রঙ্গাইল সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে রামনগরসহ একাধিক মৌজায় ১১ লাখ টাকায় বিঘা জমি ক্রয় করেন।
রামপুরায় হোমল্যান্ড রিয়েলএস্টেট এর হোমল্যান্ড ফারহা গার্ডেন এ্যাপার্টমেন্ট বনশ্রী প্রকল্পের রোড নং-৩. ব্লক- ডি, প্লট নং-২ এর ৫ম তলা এবং হোমল্যান্ড লাবিব এ্যাপার্টমেন্ট বনশ্রী প্রকল্পের রোড নং-৫, ব্লক-ডি, প্লট নং-৯ এর ২য় তলা ২৪৫০ বর্গফুটের ২টি ফ্ল্যাট ৮৭ লাখ টাকায় ক্রয় করেন। ওই এলাকায় ৩৭ লাখ টাকায় আরও একটি ফ্ল্যাট ক্রয় করেন। অথচ এই সম্পদের
জানা যায়, বহুল আলোচিত হলমার্ক গ্রুপের ঋণ জালিয়াতি ও অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় একাধিক মামলার আসামি এই ব্যাংক কর্মকর্তা একেএম আজিজুর রহমান। বর্তমানে তিনি কারাগারে আছেন। তার গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী থানার শুকতা গ্রামে।
[b]ঢাকা, একে, ২১ মে,(টাইমনিউজবিডি.কম)//এনএস[/b]
অপরাধ
সোনালী ব্যাংকের সাবেক ডিজিএমের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
সোনালী ব্যাংক হোটেল রুপসী বাংলা শাখার সাবেক ডিজিএম একেএম আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধে ১ কোটি ৭১ লাখ ১০ হাজার টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত অবৈধ সম্পদের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন





