দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নয়া সচিব মো. হুমায়ুন খালিদের নিয়োগ নিয়ে খোদ দুদকেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এ নিয়োগে কমিশনের আইন ও বিধিমালা লঙঘণের বিষয়টি নিয়েও অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দুদক কার্যালয়ে নয়া সচিবমো. হুমায়ুন খালিদের নিয়োগ নিয়ে ক্রমেই বিতর্ক বাড়ছে। ইতোমধ্যে দুদকের পক্ষ থেকেমন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিবকে দুদকের নয়া সচিব নিয়োগ নিয়ে দুদক বিধিমালার পরিপন্থির বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।

এর আগে গত ১৫ জুলাই দুদকের সচিবমো. ফয়জুর রহমানচৌধুরীকে টানা ৪ বছর দায়িত্ব পালন শেষে সরকার ডাক ওটেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব নিয়োগ দিয়েছে।ফলে দুদক সচিবের পদটি শূন্য হয়।২০ জুলাই যুব উন্নয়ন অধিদফতরের মহাপরিচালকমো. হুমায়ুন খালিদকে দুদকের সচিব পদে নিয়োগদেয়।

নাম না প্রকাশের শর্তে দুদকের একাধিক কর্মকর্তা জানান, দুদক আইন অনুসারে কমিশন সচিব নিয়োগ করবে। কমিশন ইচ্ছে করলে চুক্তিভিত্তিক সচিব নিয়োগ দিতে পারে।তবেকোনভাবেই সরকার সরাসরি দুদকের সচিব নিয়োগ করতে পারে না। এটা আইন ও বিধিমালার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আমলারা দুদকের কার্যক্রমের উপর খবরদারি এবং নিয়ন্ত্রণ বাড়াতেই এ ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে।

তারা জানান, দুদক আইনের ৩(২) ধারা অনুযায়ী দুর্নীতি দমন কমিশন একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান। আইনের ১৬(১) ধারায় বলা হয়েছে, কমিশনের একজন সচিব থাকিবেন, যিনি কমিশন কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন।

দুদক আইনের এ ধারা অনুযায়ী সরকারের পক্ষ থেকে দুদক সচিব নিয়োগদেয়ার কোনো সুযোগনেই।কিন্তু (সরকার) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে কাউকে দুদকের সচিব নিয়োগ দিলে তা (কমিশনের) দুদক আইন ৩(২) ধারায়সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

এবিষয়ে দুদক কমিশনার ড. নাসির উদ্দিন আহমেদ বলেন, দুদকের নয়া সচিব নিয়োগেরক্ষেত্রে আইনগত কিছু অসঙ্গতি রয়েছে।বিষয়টি আলোচনা চলছে। তবে এসব নিয়ে রিপোর্ট করার কি আছে।

ঢাকা,একে,২২জুলাই, টাইমনিউজবিডি.কম, এআর