ভোক্তা পর্যায়ে দ্বিতীয় দফায় গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির সরকারি সিদ্ধান্তের ওপর ৬ মাসের স্থগিতাদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে দ্বিতীয় দফায় মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে হাইকোর্টের বিচারপতি মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি জেবিএম হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান ও সচিবকে এই রুলের ব্যাখ্যা দিতে বলেছেন আদালত।
আদালতে রিটকারীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী সাইফুল আলম। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু।
গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ভোক্তা পর্যায়ে গ্যাসের দাম দুই দফায় গড়ে ২২.৭ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
গৃহস্থালি খাতে প্রথম দফায় ১ মার্চ থেকে এক চুলা ৭৫০ টাকা ও দুই চুলা ৮০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। দ্বিতীয় দফায় আগামী ১ জুন থেকে এক চুলা ৯০০ টাকা ও দুই চুলা ৯৫০ টাকা ধার্য করা হয়েছে।
এ ছাড়া সিএনজির দাম ১ মার্চ থেকে প্রতি ঘনমিটার হবে ৩৮ টাকা ও ১ জুন থেকে হবে ৪০ টাকা। বিদ্যুৎ, সার শিল্প ও সব শ্রেণির গ্রাহকের ক্ষেত্রে গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে।
বর্তমানে গৃহস্থালি খাতে এক চুলা ৬০০ টাকা ও দুই চুলা ৬৫০ টাকা করে দিচ্ছেন গ্রাহকেরা।
এর আগে সর্বশেষ ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে আবাসিকসহ কয়েকটি শ্রেণির গ্রাহকের গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়। তখন ১ চুলার বিল ৪০০ থেকে বাড়িয়ে ৬০০ টাকা এবং ২ চুলার বিল ৪৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬৫০ টাকা করা হয়েছিল।
মুস্তাঈন





