বিভিন্ন গণমাধ্যমে সূত্র দিয়ে জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দলটির নারী কর্মীরা ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের পক্ষে ও গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে ভোট চাইতে গিয়ে বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বাধার মুখে পড়েন। জামায়াতের নারী কর্মীদের প্রচারে বাধা দেওয়ার পাশাপাশি অন্তঃস্বত্ত্বা নারীর পেটে লাথি থেকে শুরু করে চড়-থাপ্পড়, গালিগালাজ, কান ছিঁড়ে দেওয়া, গায়ের কাপড় ও হিজাব খুলে নেওয়া, ধর্ষণ ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণেরও হুমকি দিয়েছে বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

এর বাইরে নির্বাচনের প্রচারে যাওয়ায় নারী কর্মীদের উদ্দেশ করে বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবকদলসহ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে জামায়াতের নারী কর্মীদের প্রকাশ্যে যৌন হুমকি দেওয়াসহ নিয়মিত সাইবার বুলিংয়ের শিকার হচ্ছেন। তবে দলের নেতাকর্মীদের অব্যাহত এমন নারী নিপীড়নের ঘটনায় একেবারে নিশ্চুপ বিএনপি।

৮ ফেব্রুয়ারি পটুয়াখালীর বাউফলে জামায়াতে ইসলামীর চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়ন সেক্রেটারি আমিরুল ইসলামকে নির্মমভাবে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার পর অপহরণ করে নিয়ে যায় বিএনপি নেতাকর্মীরা। সেসময় তার স্ত্রী ইউনিয়ন জামায়াতের মহিলা বিভাগের দায়িত্বশীল, তার ওপরও পাশবিক আক্রমণ চালানো হয়। সন্ত্রাসীরা ওই গর্ভবতী নারীর পেটে লাথি মেরে তাকে গুরুতর জখম করে। পরে তাকেসহ আহত জামায়াত কর্মীদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

গত ২ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১টার দিকে যশোরের চৌগাছা উপজেলার ধুলিয়ানী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মুক্তারপুর গ্রামের নারীদের কাছে প্রচারে যান জামায়াতের নারী কর্মীরা। সেসময় স্থানীয় আইতাল হোসেন ও বাদলের বাড়ির সামনে বিএনপি প্রার্থীর কর্মী ইব্রাহিম হোসেন, লিয়াকত আলী, শিমুল হোসেন, কবির হোসেন হামলা চালিয়ে জামায়াতের নারী কর্মীদের লাঞ্ছিত করে মোবাইল, খাতা এবং কাগজপত্র কেড়ে নেন।

অন্যদিকে চৌগাছায় উপজেলার হাকিমপুর ইউনিয়নের ৯ ওয়ার্ডের মাঠচাকলা গ্রামের নারীদের কাছে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ভোট চাইতে গেলে পুরাতন মসজিদ সংলগ্ন স্থানে বিএনপি প্রার্থীর কর্মী শাহাবুদ্দীন, মুকুল ও মন্টু রহমান জামায়াতের নারী কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে গালিগালাজ ও লাঞ্ছিত করে মোবাইল ও কাগজপত্র কেড়ে নেন। জামায়াতের নারী কর্মীদের হেনস্থার এসব ঘটনার প্রমাণ পেয়েছেন নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির চেয়ারম্যান সিনিয়র সিভিল জজ গোলাম রসুল।

০৬ ফেব্রুয়ারি নোয়াখালী জেলা জামায়াতের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ইসলামীর জেলা আমির ইসহাক খন্দকার জানান, জেলার চাটখিল, বেগমগঞ্জ, সদর উপজেলা, নোয়াখালী পৌরসভা, সুবর্ণচরসহ বিভিন্ন স্থানে জামায়াতের নারী কর্মীদের উঠান বৈঠকসহ প্রচারণায় বাধা দিচ্ছে বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

গত ২২ জানুয়ারি বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার নাচনাপাড়া এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে প্রচারের সময় জামায়াতের নারী কর্মীদের পথরোধ করে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে এব ধর্ষণের হুমকি দেয় বিএনপি সমর্থকরা। এতে কয়েকজন নারী কর্মী মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন।

একই দিন পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বরইতলায় উঠান বৈঠকের দাওয়াত দিতে গেলে বিএনপি কর্মী সালাম শরীফ জামায়াতের এক নারী কর্মীকে গালিগালাজ ও হুমকি দেন। পরদিন তার নেতৃত্বে কয়েকজন ব্যক্তি ওই নারী কর্মীর বাড়িতে হামলার চেষ্টা চালিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন।

২৬ জানুয়ারি লালমনিরহাট‑১ আসনে নির্বাচনী প্রচারণায় যাওয়া মহিলা জামায়াতের কর্মীদের হিজাব খোলার চেষ্টা করে বিএনপির নেতাকর্মীরা। এ ঘটনায় বাধা দিতে গেলে আহত হন জামায়াত নেতা-কর্মীরা। বিকেলে হাতীবান্ধা উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মেডিকেল মোড় সংলগ্ন কসাইটারী এলাকায় সংঘর্ষের পর ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে জেলা প্রশাসক এইচএম রকিব হায়দার জানান, জামায়াতের নারী কর্মীদের হিজাব খুলতে চাওয়ায় এই সংঘর্ষ হয়েছে।

এছাড়া ২৭ জানুয়ারি নাচনাপাড়া ও পাথরঘাটা পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় প্রচারণাকালে জামায়াতের নারী কর্মীদের প্রচারনার নিয়ম নেই বলে বাধা দেওয়া ও গালিগালাজ এবং ভিডিও ধারণে বাধা দেয় বিএনপি কর্মীরা।

০৫ ফেব্রুয়ারি সকালে ভোলার দৌলতখান পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডে গণসংযোগ চলাকালে বিএনপির কর্মী রিপন ও সেলিমের নেতৃত্বে নারী কর্মীদের অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ, হেনস্তা এবং প্রচার কাজে বাধা দেওয়া হয়। এর আগে দৌলতখান উপজেলার দক্ষিণ জয়নগর, উত্তর জয়নগর, সৈয়দপুর ও ভবানীপুর ইউনিয়নসহ বিভিন্ন এলাকায় বিএনপির চিহ্নিত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নারী হেনস্তা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি মিনারা বেগম।

০৫ ফেব্রুয়ারি বিকেলে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় নির্বাচনি প্রচারণার কাজে কাঁঠালি থেকে বিজয়নগর এলাকায় যাওয়ার সময় বিএনপি নেতা ও পূর্বপাড়ার বাদশা মিয়া বেপারীবাড়ির মৃত ছেরাজল হকের ছেলে মোশারফ হোসেন ও তার সহযোগী একই বাড়ির আমির হোসেনের ছেলে সৈকত, জমাদারবাড়ির আবুল হাশেমের ছেলে আমুসহ আরও কয়েকজন বিএনপি নেতা জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মী মনোয়ারা বেগম’র পথ আটকে হেনস্তা করেন। তারা ওই নারীর হিজাব ও ওড়না ধরে টান দেন এবং জোরপূর্বক টেনে নেওয়ার চেষ্টা করেন। একই দিন সোনাইমুড়ী পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডেও জামায়াতের নারী কর্মীদের হেনস্তা করা হয়।

৬ ফেব্রুয়ারি ময়মনসিংহের ভালুকায় জামায়াতের নারীকর্মীদের গায়ে হাত তুলে বিএনপি কর্মীরা। একইদিনে কক্সবাজারের রামুর খুনিয়াপালং দারিয়ার দিঘী দক্ষিণ পাড়ায় জামায়াত এর মহিলা সমাবেশে হামলা চালায় যুবদল।

৫ ফেব্রুয়ারি নোয়াখালীর ৬ নং রাজগঞ্জ ইউনিয়ন হালিম কোম্পানির বাড়িতে মহিলা জামায়াত গনসংযোগে গেলে বিএনপি'র সাদ্দাম বাধা দেয়। একইদিন ঝিনাইদহে আবারও জামায়াতের মহিলা কর্মীদের উপর হামলা করে বিএনপি কর্মীরা। যশোর চৌগাছার হাকিমপুরে জামায়াতে-ইসলামীর নারী ভোট কর্মীদের উপর তেড়ে এসে আক্রমণ করে স্থানীয় বিএনপির লোকজন।

বরগুনার পাথরঘাটায় নাচনাপাড়া জামায়াতের নির্বাচনী প্রচারণা চলাকালে কুখ্যাত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের গডফাদার হিসেবে পরিচিত নুরুল ইসলাম মনির সন্ত্রাসী বাহিনীর হাতে হেনস্থার শিকার হন নারী কর্মীরা। জেলার বেতাগীর জোড় বামনা জামায়াতে ইসলামের মহিলা কর্মীদের হেনস্তার পাশাপাশি অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেন বিএনপি নেতা সাকের।

যশোর-৩ আসনের সদর পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডে জামায়াতের মহিলা কর্মীদের নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেয় বিএনপি কর্মীরা। খুলনার খালিশপুরের ১১ নং ওয়ার্ডে প্রচারণার সময় বিএনপির অতর্কিত হামলার শিকার হন জামায়াতে ইসলামের নারী কর্মীরা। লক্ষ্মীপুরে মহিলা জামায়াতের নির্বাচনি বৈঠকে বাধা দেন বিএনপি নেতা লোকমান ও তার সহযোগীরা। খুলনা-৩ আসনে দাঁড়িপাল্লার নির্বাচনী প্রচারণায় জামায়াতের মহিলা কর্মীদের উপর হামলা চালায় বিএনপি সন্ত্রাসীরা।

ঢাকা-১৯ আসনে নির্বাচনি প্রচারণায় গেলে জামায়াতের নারী কর্মীদের হেনস্তা করেন আশুলিয়া থানা জাতীয়বাদী মৎস্যজীবী দলের সাধারণ সম্পাদক। ৩ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লা-৪ আসনে ১১ দলীয় জোট প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রচারে গেলে বিএনপির চিহ্নিত সন্ত্রাসী আল আমিন শুভ’র দ্বারা হেনস্তার শিকার হন জামায়াতের নারী নেত্রী।

ময়মনসিংহের ত্রিশালে নির্বাচনী প্রচারে গেলে জামায়াতের নারীদের নানা হুমকি বিএনপি কর্মীরা। একইদিনে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে ঢাকা-৮ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা আব্বাসের স্ত্রী আফরোজা আব্বাস বলেন, যেসব নারী ধানের শীষে ভোট দিবে না তারা পতিতা। বগুড়ার শিবগঞ্জে মহিলা জামায়াতের নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেন বিএনপি নেতা।

একইদিন ভোলার দৌলতখান দক্ষিণ জয়নগর ১নং ওয়ার্ডে, মহিলাদের নির্বাচনী প্রচারের সময় বিএনপির সন্ত্রাসীরা নারী কর্মীদের বাধা প্রদান করে। লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে জামায়াতের নারী কর্মীকে প্রচারে গেলে গালিগালাজ করে বিএনপি নেতাকর্মীরা। একইদিন বগুড়ার পীরব ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পানশাল গ্রামে মহিলা জামায়াতের কর্মীরা ভোট চাইতে গেলে তাদের বাধা দেন পীরব ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রেজাউল সরকার। কুষ্টিয়ায় জামায়াতের নারী কর্মীদের নির্বাচনী প্রচারণায় বিএনপির বাধা দেয় বিএনপি কর্মীদের।

২ ফেব্রুয়ারি মাগুরা–১ আসনে প্রচারে গেলে জামায়াতের মহিলাদের শাড়ী খুলে ছেড়ে দেওয়ার ইঙ্গিত দেন আমিনুর রহমান কলেজ ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ ইখলাস অভি। একইদিন ঝালকাঠি-১ আসনে জামায়াতের মহিলাদের নির্বাচনী প্রচারণায় বাধাঁ দেয় বিএনপি কর্মীরা।

৭ ফেব্রুয়ারি সুনামগঞ্জের ছাতকে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে প্রচার চালানোর সময়ে নারী কর্মীদের হেনস্থা করেন উপজেলার উত্তর খুরমা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আজিজুর রহমান।

কক্সবাজার-৪ আসনের টেকনাফে ছাত্রশক্তির মুখপাত্র জিনিয়াকে নিয়ে বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী। নোয়াখালী–৪ আসনের ধানের শীষের প্রচারণা যোগ দেন সুবর্ণচরে মা-মেয়ে ধর্ষণ মামলার আসামি আ.লীগ নেতা। ১ ফেব্রুয়ারি কক্সবাজার–৪ আসনের উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়নের মৌলভী পাড়ায় বিএনপি নেতা আরমানের নেতৃত্বে জামায়াতের মহিলা কর্মীদের উপর সশস্ত্র হামলা করা হয়। একইদিন খুলনা-৩ আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারণা করায় জামায়াত নারী কর্মীকে হেনস্থা করেন বিএনপি নেতা।

৩১ জানুয়ারি ভোলা‑২ আসনের টবগী ২নং ওয়ার্ড জামায়াতের মহিলা কর্মীরা নির্বাচনি প্রচারনায় গেলে বাধা দেয় টবগী ২নং ওয়ার্ড ছাত্রদল ও বিএনপি কর্মী কাইয়ুম। এর আগের দিন বিকেলে প্রচারণার সময় যশোর জামায়তের মহিলা কর্মীদের অশ্রাব্য গালিগালাজের পাশাপাশি নানা হুমকি দেয় বিএনপি কর্মীরা।

২৯ জানুয়ারি নোয়াখালী‑১ আসনের সোনাইমুড়ি পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সেক্রেটারি মোশারফ হোসেনের নেতৃত্বে মহিলা জামায়াত কর্মীর উপর হামলা করা হয়। কুষ্টিয়া–৩ আসনে ১১ দলীয় জোট প্রার্থী আমির হামজার মা ও স্থানীয় মহিলা জামায়াতের কর্মীদের লাঞ্ছনা করেন যুবদল নেতা না‌সির জোয়ার্দ্দর।

২২ জানুয়ারি চট্টগ্রাম‑৪ আসনের সীতাকুণ্ড ঊপজেলার ভাটিয়ারি ইউনিয়নের জাহানাবাদ এলাকায় মহিলা জামায়াত কর্মীদের উপর করে ভাটিয়ারি ইউনিয়ন বিএনপি ও যুবদল।

২৭ জানুয়ারি চট্টগ্রাম‑৪ আসনের কুমিরা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড লোহারপুল এলাকায় মহিলা জামায়াত কর্মীর উপর হামলা করে বিএনপির নেতা কর্মীরা। নারায়ণগঞ্জ‑২ আসনের আড়াই হাজারে মহিলা জামায়াতের উপর হামলা চালায় স্থানীয় বিএনপি। পাবনা‑৫ আসনের সদর উপজেলায় বুদেরহাটে মহিলা জামায়াতের কর্মীদের উপর হামলা চালায় বিএনপি নেতা শিমুলের অনুসারী।

২৮ জানুয়ারি যশোর‑৪ আসনের শার্শা উপজেলায় মহিলা জামায়াতের নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেয় বিএনপি ও যুবদল কর্মীরা। একই দিন ঢাকা-০৪ আসনে মহিলা জামায়াতের প্রচারে যুবদল নেতা রমজানের নেতৃত্বে একদল যুবদল কর্মী হামলা চালায় আহত হন কাজী মারিয়া ইসলাম বেবি (৫২)।

২৬ জানুয়ারি লক্ষ্মীপুর‑২ আসনের সদর উপজেলার বশিকপুরে মহিলাদের প্রচারে বাঁধা দেয় বিএনপির কর্মী আলাউদ্দিন আলম ও তার সহযোগীরা। আহত হয় জামায়াতের ৬ কর্মী।

টাঙ্গাইল‑৫ আসনে নির্বাচনী প্রচারণা চলাকালে জামায়াতের নারী কর্মীদের উপর হামলা করে গোপালপুর বিএনপি কর্মীরা। সেসময় লাথি মারা হয় নারীদের পেটে। ২৫ জানুয়ারি যশোর‑৬ আসনের ঝিকরগাছায় পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে প্রচারে জামায়াতের মহিলা নেত্রী মহিলা নেত্রী রাফিজা, নাসিমা, কামরুন্নাহার, তুলি, বিলকিস, জোসনাদের ওপর যুবদল নেতা আরাফাত রহমান কল্লোলের নেতৃত্বে হামলা করা হয়। আহত হন ২০ জন। একইদিনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-০৩ আসনে প্রচারে গেলে জামায়াতের নারী কর্মী ও ছাত্রী সংস্থার কর্মীরা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে প্রচারে গেলে পুলিশে ধরিয়ে দেয়ার নির্দেশ দেন বিএনপি নেত্রী পাপিয়া।

২৫ জানুয়ারি চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের আলমডাঙ্গা উপজেলার খাদিমপুর ইউনিয়নের যুগীরহুদা গ্রামে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মীদের হেনস্তা করে ধানের শীষের প্রার্থী শরীফুজ্জামানের অনুসারীরা। কুমিল্লায় নারী কর্মীদের হেনস্তা করে বিএনপি কর্মীরা।

২৪ জানুয়ারি মেহেরপুর‑১ আসনের গহরপুর গ্রামে নারী কর্মীদের হেনস্তা, প্রতিবাদ করায় বিএনপির স্থানীয় নেতা আলেহিম ও হায়দারের নেতৃত্বে ৩ জনকে মারধর করা হয়।

একই দিনে শরীয়তপুর-২ আসনের জামায়াতের নারী কর্মীদের নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেয় ছাত্রদল নেতাকর্মীরা। পোস্টার ছিনিয়ে নেয় সখিপুর থানা ছাত্রদল নেতা মানিক মোল্লা, অশ্রু মোল্লা, হ্যাপি সহ নেতা কর্মীরা।

নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরুর প্রথম দিন ২২ জানুয়ারি নাটোর–২ আসনের সদরে প্রচারে গেলে জামায়াতের নারী কর্মীদের চড়-থাপ্পড় মারে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহিম নেওয়াজের অনুসারীরা। একই দিন সিরাজগঞ্জ‑৬ আসনের উল্লাপাড়া উপজেলার তেতুলিয়া মহিলা জামায়াতের কর্মীদের ওপর হামলা চালায় বড়হর ইউনিয়ন বিএনপি।

এমএম