কেএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খান জানান, জনি ও সুব্রতকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তবে এ মুহূর্তে তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়নি।
জানা গেছে, ৫ আগস্টের পরে মব সৃষ্টির মাধ্যমে মোংলা বন্দর কাস্টমস এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের (সিঅ্যান্ডএফ) ভবন দখল নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে মাহামুদুন চৌধুরী জনির বিরুদ্ধে। সংগঠনটির সদস্য না হয়েও কিছু দিন আগে নিজেকে অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করেন জনি। অভিযানে আটক হওয়ার পর জনিকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন মহল থেকে চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে সূত্র জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, খুলনা মহানগরে পুলিশের যৌথ অভিযান চলছে। খুন, সন্ত্রাসী কর্মকান্ড, মাদক ব্যবসা, কিশোর গ্যাং পরিচালনা, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে রক্তাক্ত জনপদে পরিণত হওয়া খুলনায় আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে শুরু হয়েছে এ অভিযান। পুলিশের সন্ত্রাসী তালিকায় এক নম্বরে রয়েছে রনি চৌধুরী ওরফে গ্রেনেড বাবুর নাম।
এমএম`