একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা মীর কাশেম আলীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের ১৫তম সাক্ষী জুলেখা খানের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে।
মঙ্গলবার চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে ৩ সদস্যের ২য় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।
সাক্ষ্যগ্রহণ করেন কৌঁসুলি অ্যাভোকেট জেয়াদ আল মালুম। তাকে সহায়তা করেন অ্যাডভোকেট সুলতান মাহমুদ সীমন এবং অ্যাডভোকেট রেজিয়া সুলতানা চমন।
সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে সাক্ষীকে জেরা করেন আসামীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিজানুল ইসলাম। জেরা শেষে মামলার কার্যক্রম আগামী ১৮ মার্চ পর্যন্ত মুলতবী করেন ট্রাইব্যুনাল।
জুলেখা খান সাক্ষ্যে ট্রাইব্যনালকে জানিয়েয়েছেন,বাবা আব্দুল বারীর কাছে থেকে থেকে তিনি জানতে পেরেছিলেন আলবদর কমান্ডার মীর কাশেম আলী তার স্বামী হারুন-অর রশিদ খানকে ধরে নিয়ে নির্যাতন করেছিল।
তিনি আরো জানান,চট্টগ্রাম শহরের পাঁচলাইশ থানার পিছনে ‘সালমা মঞ্জিল’ নামে আল-বদরদের টর্চার সেলে থাকাকালে মীর কাশেম আলী তার স্বামীকে মেরে ফেলার জন্য ৫-৬বার উদ্যোগ নিয়েছিল। সেখানে ১৫-১৬ জন বন্দিকে মেরে ফেলা হয়েছিল।
জেরা কালে সাক্ষী বলেন, এটা সত্য নয় যে, আমি আমার বাবার কাছে মীর কাসেম আলীর কথা শুনিনি। আমি রাষ্ট্রপক্ষের উপঢৌকন পেয়ে এখানে সাক্ষ্য দিতে এসেছি।
তিনি আরও বলেন, এটা সত্য নয় যে, আমি রাজনৈতিক অসৎ উদ্দেশ্যে মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে সাক্ষী দিলাম।
বর্তমানে ৫৭ বছর বয়সি জুলেখা খান নিজে একজন ফ্যাশন ডিজাইনার এবং একটি ফ্যাশন ডিজাইনিং হাউজের মালিক। বসবাস করেন চট্টগ্রামের দক্ষিণ খুলশি আবাসিক এলাকায়।
গত বছরের ৫ সেপ্টেম্বর মীর কাশেম আলীর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করা হয়।
মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে ১৪টি অভিযোগের মধ্যে ৮জনকে নির্যাতনের পর হত্যা,লাশ গুম এবং ৩৪ জনকে অপহরণের পর আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগও রয়েছে।
জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদের সদস্য মীর কাসেমকে গত বছর ১৭ জুন গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর ট্রাইব্যুনালের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
[b]ঢাকা, জিই ৪ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম) // কেএইচ[/b]
অপরাধ
'রাষ্ট্রপক্ষের উপঢৌকন পেয়ে এখানে সাক্ষ্য দিতে এসেছি'
একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা মীর কাশেম আলীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের ১৫তম সাক্ষী জুলেখা খানের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে ৩ সদস্যের ২য় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।





