দৈনিক ইত্তেফাকের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আখতার-উল-আলমের মেয়ে ফাহমিদা আখতার বিথুন (৪৫) হত্যা মামলার কোন অগ্রগতি নেই।

মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা রামপুরা থানার এসআই রফিকুল ইসলাম টাইমনিউজবিডিকে জানান, হত্যাকাণ্ডটি এতই পরিকল্পিত যে এখন পর্যন্ত কোন কূলকিনার পাওয়া যাচ্ছে না।

তিনি বলেন, আমরা তদন্তের স্বার্থে যাকেই ডাকছি সেই খুব আগ্রহের সাথে আমাদের সঙ্গে কথা বলছেন। কিন্তু তাদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ কোন তথ্য আমরা পাচ্ছি না।

তিনি আরও জানান, মামলাটির তদন্তে পুলিশের ৪টি টিম কাজ করছে। এর মধ্যে পুলিশ র‌্যাব ও সিআইডিও আছে।

এ মামলার ময়না তদন্তে বলা হয়- নিহতের মাথায় কোন শক্ত বস্তু দিয়ে আঘাত করার পর গলায় ফাঁস দেওয়া হয়। হত্যার সময় হত্যাকারীরা ফাহমিদার ব্যাবহার করা সেলফোনটি নিয়ে যায়।

ফাহমিদা আখতার বিথুন ওই বাসার ৫ম তলার পশ্চিম পার্শ্বের ইউনিটে একাই থাকতেন এবং পার্শ্বের ইউনিটে ব্যচেলর ভাড়া দেওয়া ছিলো। সেখানে তিনজন থাকত।

ঘটনার দিন তিনজনের মধ্যে একজন বাসায় ছিলো।

বাসার বুয়া সাবিহা বেগম জানান, তিনি ওই বাসায় দুই বছর যাবৎ কাজ করছেন। বাসায় বিথুনের দেবর গোলাম সোবহান ছাড়া বাইরের তেমন কেউ আসত না।

পুলিশ তাদের কজে সহায়তার জন্য বুয়া সাবিহা ও বাসার কেয়ারটেকার আব্দুর রউফ কে আটক করে।
সরেজমিনে রামপুরার মহানগর প্রজেক্টটে গিয়ে দেখাযায় এলাকায় একরকম আতঙ্ক বিরাজ করছে এই হত্যার বিষয়ে কেউ কিছু বলতে চাচ্ছে না।

বিথুনের স্বামী বাহারইনে একটি বৃটিশ কোম্পানিতে চাকরি করেন। আর ছেলে সিরতুল মোস্তাকিম প্রায় দেড় বছর আগে আমেরিকায় পড়া-লেখা করতে যান।

বিথুনের ভাই রেজওয়ানুর আলম জানান, পুলিশের কাছে এত তথ্য থাকার পরও হত্যাকারীদের সনাক্ত করতে দেরি হচ্ছে কেন তা আমি বুঝতে পরছি না।

উল্লেখ্য, গত ৩০ জানুয়ারি দুপুর ১২টায় পূর্ব রামপুরার মহানগর প্রজেক্ট এর ১০৫ নং তার নিজ বাসা থেকে চোখ, নাক, কানে মরিচের গুড়া ও হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ফাহমিদা আখতারের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

এআই/জেএ