বিশেষ করে সরকারি চাকরিজীবীদের দক্ষতা বাড়ানোর কর্মসূচিতে বিদেশ যেতে পারবে। তবে এক্সপোজার ভিজিট, স্ট্যাডি ট্যুর, এপিএ ও ইনোভেশন এর আওতা ভুক্ত সেমিনার, ওয়ার্কশপ ও বিদেশ ভ্রমণ বন্ধ থাকবে। সোমবার অর্থ বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি চিঠি ইস্যু করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে পাওয়া গেছে এসব তথ্য।
ওই চিঠিতে বলা হয়, স্কলারশীপ ও ফেলোশিপের আওতায় বৈদেশিক অর্থায়নে মাষ্টার্স বা পিএইচডি কোর্সে অধ্যায়নের জন্য বিদেশ ভ্রমণ করা যাবে। এই ফেলোশিপ বা স্কলারশীপ বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, বিশ্ববিদ্যালয় বা দেশ কর্তৃক হতে পারে। অর্থায়ন পরিচালনা ও উন্নয়ন বাজেটের আওতা সরকারি ভাবে হতে পারে।
সেখানে আরও বলা হয়, সরকারের সঙ্গে বিভিন্ন বৈদেশিক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা চুক্তির আওতায় পেশাগত প্রশিক্ষণে অংশ গ্রহণ করতে পারবে। এছাড়া বিদেশী সরকারি প্রতিষ্ঠান ও উন্নয়ন সহযোগীর আমন্ত্রণে ও সম্পূর্ন অর্থায়নে আয়োজিত প্রশিক্ষণে অংশ নিতে পারবেন সরকারি কর্মকর্তারা।
ওই চিঠিতে সর্বশেষ শিথিলকরণ শর্তে বলা হয়, কোন সরবরাহকারী, ঠিকাদার ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের অর্থায়নে সেবা ও পণ্যের গুনগতমান নিরীক্ষা এবং পরির্দশনের উদ্দেশ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাসহ কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন কর্মকর্তারা বিদেশ ভ্রমণ করতে পারবে।
এর আগে গত ১২ মে থেকে ‘পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেটের আওতায় সকল প্রকার বৈদেশিক ভ্রমণ সীমিতকরণ’ শীর্ষক একটি পরিপত্র জারি করা হয়।
ওই পরিপত্রে বলা হয়, কোভিড-১৯ পরবর্তী অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার এবং বর্তমান বৈশ্বিক সংকটের প্রেক্ষাপটে ওয়ার্কশপ/সেমিনারে অংশগ্রহণসহ সকল প্রকার বৈদেশিক ভ্রমণ বন্ধ থাকবে। এ আদেশ উন্নয়ন ও পরিচালন বাজেট উভয় ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে এবং অবিলম্বে কার্যকর হবে।
এমআই





