[b]ঢাকা: [/b]সম্প্রতি আবাদ ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় ফুলের দাম বাড়িয়েছে কেনিয়া। এ কারণে অপেক্ষাকৃত কম মূল্যের বাজার ভারত ও ইথিওপিয়ামুখী হচ্ছেন আমদানিকারকরা। ফলে ধারণা করা হচ্ছে ফুল রফতানিতে শীর্ষ বাজার হয়ে উঠবে এ দেশ দুটি।
কেনিয়া ইনভেস্টমেন্ট অথরিটির (কেনিনভেস্ট) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোসেস আইকিয়ারা জানান, ফুল রফতানির ক্ষেত্রে ইথিওপিয়া এখন কেনিয়ার চেয়েও বেশি প্রতিযোগিতা সক্ষম। এক্ষেত্রে কেনিয়াকে ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ভারতের। বর্তমানে কেনিয়ার এক-দশমাংশ  ফুল রফতানি করে ভারত।
২০১১-১২ সালে ভারত ৫ কোটি ৯০ লাখ ডলার মূল্যের ফুল রফতানি করেছে। রফতানির প্রবৃদ্ধি আগের বছরের তুলনায় ২৩ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি। এর ধারাবাহিকতায় ২০১৫ সালের মধ্যে দেশটির এ খাতের রাজস্ব দ্বিগুণ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ইথিওপিয়ার ফুলশিল্প ২০১১-১২ সালে ২৬ কোটি ৫৭ লাখ ১০ হাজার ডলার আয় করেছে, যা এর আগের বছরের তুলনায় ১৯ শতাংশ বেশি।
অন্যদিকে ফুল রফতানিতে শীর্ষ দেশ কেনিয়ার রফতানি কমে আসছে। হর্টিকালচারাল ডেভেলপমেন্ট অথরিটির (এইচসিডিএ) তথ্য অনুযায়ী, ২০১২ সালে কেনিয়া ৫০ কোটি ৩০ লাখ ডলারের ফুল রফতানি করেছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৪ শতাংশ কম। রফতানি কমে আসায় কেনিয়ায় ফুলের আবাদ খুব একটা বাড়ছে না।
২০১২ সালে ১ কোটি ২৩ লাখ টন ফুল আবাদ হয়েছে, যা এর আগের বছরের তুলনায় অল্প কিছু বেশি। এ সময় দেশটিতে মোট ১ কোটি ২১ লাখ টন ফুল আবাদ হয়েছিল।
এর ওপর ভিত্তি করে ধারণা করা হচ্ছে শীর্ষ ফুল রফতানিকারকের অবস্থানটি হারাতে যাচ্ছে কেনিয়া।
কেনিনভেস্ট আরো জানায়, ফুলের ব্যবসা পড়ে যাওয়ার পর তাদের উদ্যানবিদ্যা এখন প্রায় হুমকির মুখে। এতে বিশ্ববাজারে শীর্ষ অবস্থান ধরে রাখা তাদের কঠিন হয়ে পড়ছে। সূত্র: বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড
[b]টাইমনিউজবিডি/এসএমআর[/b]