শুক্রবার (২৫ আগস্ট) রাতে জেলার পৌর মাছ বাজারে অন্যান্য দিনের তুলনায় ইলিশের দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে বলে জানান ক্রেতা-বিক্রেতারা। খুচরা বাজারে আকার ভেদে ৫০০ থেকে ১৬০০ টাকায় ইলিশ বিক্রি হচ্ছে।
এ দিন বিকেল থেকেই বাজারে ইলিশের সরবরাহ বেড়েছে। এতে দামও আগের চেয়ে কমেছে।
বিক্রেতারা জানান, স্থানীয় নদীর ইলিশ বাজারে ওঠে। তাই দিনের তুলনায় রাতে দাম কম থাকে। মাছের বাজারে এখন ইলিশের ক্রেতাই বেশি।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খুচরা বাজারে ১ কেজি ইলিশের দাম ১৪৫০ টাকা, ১ কেজি ৩০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ১৬০০ টাকা, ৬০০ থেকে ৭০০ গ্রাম ইলিশ ৭৫০ টাকা, ৪০০ থেকে ৪৫০ গ্রাম ইলিশ ৬০০ টাকা, ২২০ থেকে ৩০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের দাম ৫০০ টাকা।
তবে শুধু রাতে এ দামে ইলিশ বিক্রি হয় এবং সকালে দামের পরিবর্তন হয়।
বরগুনা পৌর মাছ বাজারে খুচরা ইলিশ বিক্রেতা মো. শাহ আলম ও রফিক জানান, আমরা আড়ত থেকে কম দামে মাছ কিনলে খুচরা বাজারেও কমে বিক্রি করি।
সরবরাহ বেশি থাকলে দাম কম থাকে।
অনেক সময় চাহিদার কারণেও দাম ওঠানামা করে। তবে স্থানীয় জেলেরা বিকেলে বাজারে মাছ নিয়ে আসে। এ জন্য রাতে ইলিশের সরবরাহ বেশি থাকে এবং দামও কম থাকে।
বরগুনা সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা এমদাদুল খান জানান, রাতে ইলিশসহ সব মাছের দাম কম থাকে। তাই আমি সব সময় রাতে মাছ কিনি। স্থানীয় নদীগুলোর মাছ তাজা। তাই চাহিদা বেশি।
তিনি আরও বলেন, আমি ৬০০ টাকা কেজি দরে ২ কেজি ইলিশ কিনলাম। আমার মতো অনেকেই রাতে মাছ কেনেন।
এ সময় তার কথায় সমর্থন জানান পৌর এলাকার বাসিন্দা আনোয়ার মুন্সি।
বরগুনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দেব জানান, ইলিশের মূল মৌসুম সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবর মাস। তবে অনেক সময় নদীতে পানি প্রবাহ ভালো থাকলে আগেই ইলিশের মৌসুম শুরু হয়। এবারও তাই হয়েছে।
তিনি বলেন, স্থানীয় নদীগুলোতে প্রচুর পরিমাণ বড় সাইজের ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে। দিনের বেলায় ইলিশ মাছ শিকারের পর বিকেল ও সন্ধ্যার দিকে জেলেরা স্থানীয় ছোট বড় বাজারে বিক্রি করেন। আগের তুলনায় মাছের দামও কমেছে।
মৎস্য কর্মকর্তা আরও বলেন, জেলেরা আগের চেয়ে সচেতন হয়েছে। তাদের অনেকে এখন নিষেধাজ্ঞা মানছে।
তাই নিষেধাজ্ঞার সুফল পাচ্ছেন জেলেরা। গতবারের চেয়ে এ বছর মা ইলিশ ৬০ থেকে ৬২ শতাংশ বেশি ডিম ছেড়েছে।
এন





