বাংলাদেশী টাকার বিপরীতে গত ২ বছরে ২৫ ভাগ দর হারিয়েছে জাপানি ইয়েন। বর্তমানে প্রতি ইয়েনের দর ৭৫ থেকে ৭৬ পয়সা। কিন্তু ২০১২ সালের নভেম্বরে যা ছিল ১ টাকা ১ পয়সা। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, কয়েকটি কারণে একটি দেশের মুদ্রা শক্তিশালী হয়। এর মধ্যে অন্যতম হল বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ।
জানা গেছে, গত ২০ বছরে জাপানি মুদ্রার বিপরীতে অধিকাংশ সময়ই শক্তিশালী ছিল বাংলাদেশী টাকা। তবে ২০১২ সালের জুলাই থেকে টাকার বিপরীতে ইয়েন শক্তিশালী হয়। এ সময়ে ১ ইয়েন কিনতে ১ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত লাগত। আর নভেম্বর পর্যন্ত টানা ৫ মাস ইয়েনের শক্তিশালী এ অবস্থা বজায় ছিল।
ওই বছরের ডিসেম্বর থেকে টাকার বিপরীতে আবারও দুর্বল হয় ইয়েন। ওই সময়ে ৯৬ পয়সায় পাওয়া যেত ১ ইয়েন। এরপর থেকে টাকার বিপরীতে ক্রমেই দুর্বল হয়েছে মুদ্রাটি। কিন্তু গত ২০ বছরের হিসাব করলে টাকার বিপরীতে দ্বিগুণ শক্তিশালী হয়েছে ইয়েন। কারণ ১৯৯৪ সালে ১ ইয়েন কিনতে মাত্র ৩৮ পয়সা দরকার ছিল।
এদিকে বৈদেশিক মুদ্রার বিজার্ভের দিক থেকে বিশ্বে চীনের পরেই রয়েছে জাপানের অবস্থান। বর্তমানে দেশটির রিজার্ভ ১ হাজার ২৪৬ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে স্বর্ণ রয়েছে ৭৬৫ দশমিক ২ মেট্রিক টন। যা মোট রিজার্ভের ৩ দশমিক ১ শতাংশ। আর বর্তমানে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ ২২ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে স্বর্ণ ১৩ টন। যা মোট রিজার্ভের প্রায় ৬ শতাংশ।
ঢাকা, ৭ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, এসএমআর





