শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সরু নাজিরশাইল ও মোটা জাতের চালের দাম কমেছে, কিন্তু জনপ্রিয় মিনিকেট চাল আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। বর্তমানে প্রতি কেজি নাজিরশাইল ৮৪–৮৬ টাকায় এবং মোটা পায়জাম ও স্বর্ণা ৫৬–৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আগে এসবের দাম কেজিপ্রতি ৪–৬ টাকা বেশি ছিল। তবে মিনিকেট এখনো ৭৮–৮৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

চাল বিক্রেতাদের ভাষ্য, মোকামে চালের দামও কমেছে। প্রতি বস্তা (২৫ কেজি) নাজিরশাইলের দাম যেখানে আগে ২২০০ টাকা ছিল, এখন ২০০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। তবে ব্র্যান্ডেড মিনিকেট ও পুরোনো চালের দাম অপরিবর্তিত আছে।

অন্যদিকে সবজি বাজারে দাম কিছুটা কমলেও এখনো কেজিপ্রতি ৬০–১০০ টাকা খরচ করতে হচ্ছে। পটোল, ঢ্যাঁড়শ, ঝিঙা ৬০–৮০ টাকা, আর করলা, বেগুন, বরবটি ও চিচিঙ্গা ৮০–১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আলু ৩০ টাকা ও পেঁপে ৪০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। তবে পেঁয়াজের দাম সামান্য কমে ৬৫–৭০ টাকায় নেমেছে, যদিও খুচরা বাজারে এখনো ৭৫ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারেও দাম বেড়েছে। প্রতি কেজি চাষের রুই ৩৫০–৪২০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০–২৬০ টাকা এবং পাঙ্গাশ ২০০–২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চাষের চিংড়ি ৭৫০–৮০০ টাকা, আর নদীর চিংড়ি ১০০০–১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ইলিশের দামও চড়া—৭০০ গ্রামের এক হালি ইলিশ ৪ হাজার টাকা, আর বড় ইলিশ প্রতি পিস দুই থেকে তিন হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

তবে মুরগি ও ডিমের বাজারে তেমন পরিবর্তন নেই। ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৭০–১৮০ টাকা, সোনালি ৩০০–৩২০ টাকা এবং ফার্মের ডিম ডজনপ্রতি ১৩৫–১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এনএইচ