[b]ঢাকা: [/b]দেশের কৃষি জমির আয়তন, কৃষি উৎপাদনের পরিমাণ, সেচ, সার, কীটনাশক ইত্যাদির ব্যবহার, গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির হিসাব নিরূপণের জন্য দ্বিতীয়বারের মতো পল্লী ঋণ জরিপ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) উদ্যোগে আগামী ২৬ জানুয়ারি থেকে ১৫ দিনব্যাপী মূল জরিপ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এ উপলক্ষে সুপারভাইজিং কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম গতকাল শেষ হয়েছে। বিবিএস সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বিবিএস সেন্সাস উইং পরিচালক মো. জাহিদুল হক সরদার জানান, ১৯৮৭ সালে প্রথমবারের মত পল্লী ঋণ জরিপ পরিচালনা করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় "পল্লী ঋণ জরিপ ২০১২-১৪" নামে একটি কর্মসূচি পরিচালনা করা হবে। মূল জরিপের পূর্বে নির্বাচিত গণনা এলাকায় ঋণ গ্রহীতা খানার তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে। জরিপকালীন সময়ে শুধুমাত্র নির্বাচিত ঋণগ্রহীতা খানায় তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সচিব মো. নজিবুর রহমান বলেন, গ্রামীণ পর্যায়ে বিতরণকৃত ঋণের বাস্তব অবস্থার তথ্যভিত্তিক জ্ঞান অর্জনের জন্য গৃহীত পল্লী ঋণ জরিপ একটি যুগোপযোগী পদক্ষেপ। বেশকিছু ব্যাংক, এনজিও ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান গ্রামের মানুষদের ঋণ দিলেও এখনও তারা গ্রামীণ মহাজন ও দাদন ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ঋণ গ্রহণ করে থাকে। পল্লী ঋণ জরিপের মাধ্যমে ঋণ প্রদানকারী সংস্থা অর্থাৎ প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ এবং ঋণ প্রদানকারী ব্যক্তি অর্থাৎ অপ্রাতিষ্ঠানিক ঋণের তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
এ থেকে একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তি ঋণ গ্রহণ করে কি না বা গৃহীত ঋণের যথাযথ ব্যবহার হয় কি না-এ সকল তথ্য আমরা জানতে পারব এ জরিপ থেকে। এ ছাড়াও ঋণ গ্রহণকারী খানার সদস্য সংখ্যা, পুরুষ-মহিলা এবং প্রতিবন্ধী সম্পর্কে জানার সুযোগ রয়েছে এ জরিপের মাধ্যমে।
সারাদেশে ৪৮৩টি উপজেলায় ২২৪০টি গণনা এলাকায় ৪২৩ জন তথ্যসংগ্রহকারীর মাধ্যমে ৫৬০০০ ঋণগ্রহীতা খানায় জরিপের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। উত্তরদাতার দেয়া তথ্য গোপন রাখা হবে এবং শুধুমাত্র সরকারি কাজে ব্যবহার করা হবে।
[b]টাইমনিউজবিডি/এসএমআর[/b]
অর্থনীতি
পল্লী ঋণ জরিপ শুরু আগামী সপ্তাহে
ঢাকা: দেশের কৃষি জমির আয়তন, কৃষি উৎপাদনের পরিমাণ, সেচ, সার, কীটনাশক ইত্যাদির ব্যবহার, গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির হিসাব নিরূপণের জন্য দ্বিতীয়বারের মতো পল্লী ঋণ জরিপ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।





