জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ১০ম ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. আরিফুল ইসলামের মরদেহ বুড়িগঙ্গা নদীতে পাওয়া গেছে।

আজ (মঙ্গলবার) বিকেল ৫টার দিকে দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।

আরিফ সোমবার (৩০ জুলাই) টিউশনির জন্য দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জের বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ ছিলেন। এবিষয়ে তার বড় ভাই রাশেদুল ইসলাম একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম বলেন, বুড়িগঙ্গা নদীর লালকুটি ঘাট এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। আরিফুল ইসলামের মোবাইল ও কাগজপত্র উদ্ধার করা হয় নজরুল নামের এক মাঝির কাছ থেকে। 

নজরুলকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি বলেন, “আমি পানিতে ভাসমান অবস্থায় ব্যাগটি পেয়েছি। এর মধ্যে কিছু কাগজ ও ১২০ টাকাসহ মানিব্যাগ ও মোবাইলটি পাই।”

ওসি বলেন, মাঝির দেখানো স্থানকে টার্গেট করে মঙ্গলবার (৩১ জুলাই) দুপুরের দিকে ডুবুরিরা ওই এলাকায় প্রায় ৩ ঘণ্টা আরিফের সন্ধান করেন। কিন্তু একপর্যায়ে বিকেল ৫টার দিকে বুড়িগঙ্গার লালকুটি ঘাট এলাকায় মরদেহটি ভেসে ওঠে।

আরিফুলের সহপাঠীরা জানান, সোমবার সকাল ১০টার দিকে আরিফুল কেরানীগঞ্জে তার বাসা থেকে সূত্রাপুরে টিউশনি করতে বের হওয়ার পর আর কারও সঙ্গে তার যোগাযোগ হয়নি। বিকেলে তার নম্বরে কল দিলে একজন রিসিভ করে নিজেকে নজরুল মাঝি পরিচয় দেন।

নিহত আরিফুল ইসলাম চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর থানাধীন মারুফদাহ গ্রামের মইনুদ্দিনের ছেলে।  

এমবি