শিক্ষার্থীরা বলেন, প্রথমত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন পাবলিক প্লেসে এসে এই বিষয়ে বক্তব্য দিতে হবে এবং আসিফ মাহতাব স্যারকে পুনরায় চাকরিতে জয়েন করাতে হবে।

মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আসিফ মাহতাবের শিক্ষকতা বাতিল বর্জনের দাবিতে ক্যাম্পাসের সামনে সাধারণ শিক্ষার্থীরা সকাল থেকে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে।

(সিইসি ডিপার্ট্মেন্টের) মারুফ আহনাফ বলেন, প্রসাশন আমাদেরকে বলেছে ভিতরে সমাধান করার জন্য কিন্তু আমরা বলেছি যা বলবেন পাবলিক প্লেসে এসে বলতে হবে। এ ছাড়া যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের দাবি না মানা হবে ততক্ষণ আমরা ক্যাম্পাসের সামনেই থাকবো। এসময় ক্লাস ও পরীক্ষা বয়কটের ঘোষণাও দেন তারা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এন্ড সহকারী অধ্যাপক রুবানা আহমেদ শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানান, কয়েকজন শিক্ষার্থী ভিতরে আসে সমাধান করার জন্য কিন্তু বাকি শিক্ষার্থীরা তা মানতে নারাজ পরবর্তীতে তিনি ভিতরে চলে যান।

উল্লেখ : শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) জাতীয় শিক্ষক ফোরাম আয়োজিত ‘বর্তমান কারিকুলামে নতুন পাঠ্যপুস্তক : বাস্তবতা ও ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে ট্রান্সজেন্ডার সম্পর্কিত বিষয়ে বক্তব্য দেন আসিফ মাহতাব উৎস।

বক্তব্য প্রদানকালে তিনি সপ্তম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তকের ট্রান্সজেন্ডার বিষয়ক বিতর্কিত পাঠের একটি পাতা ছিড়ে ফেলে দেন। এ ঘটনার পর রোববার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে তাকে আনঅফিসিয়ালি অব্যহতি প্রদানের কথা জানানো হয়।

রোববার তিনি জানান, ওইদিনও তিনি ক্লাস নিয়েছেন। তবে ক্লাস শেষে বাসায় ফেরার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে কোনো একজন তাকে ফোন করে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে আর ক্লাস নিতে নিষেধ করেন।

তবে এ বিষয়ে তাকে কোনো কারণ দর্শানো হয়নি বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী শিক্ষক। এমনকি অফিসিয়ালিও তাকে কিছু জানানো হয়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এরপর সোমবার তার ব্যক্তিগত যোগাযোগের জন্য বিশবিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ইমেইল একাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

এনএইচ