যদিও এসব বাস্তবিক কারণে কুমিল্লার ‘সিসিএন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি’-এর ব্যবস্থাপনা কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়, এবং বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় গুরুত্বপূর্ণ পদে নতুন ব্যক্তিদের নিয়োগ দিয়েছে, কিন্তু তাতে পরিস্থিতির কোনো উন্নতি তো হয়ইনি, বরং অনেক ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে বা মারাত্মকভাবে ভেঙে পড়েছে।

এ অবস্থায় দেশে ও দেশের বাইরে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। বিশেষ করে বিদেশে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা, এবং বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে ইচ্ছুক প্রার্থীরা একাডেমিক কাগজপত্র যাচাই-বাছাইসহ বিভিন্ন ধরনের অসহযোগিতার সম্মুখীন হচ্ছেন।

ইতিমধ্যেই একটি বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত একজন কম্পিউটার সায়েন্স স্নাতক আমাদের বলেছেন যে যখন তিনি একটি স্নাতকোত্তর কোর্সে ভর্তির জন্য একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করেছিলেন, তখন তিনি সিসিএন ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে যাচাইয়ের জন্য যোগাযোগ করার পরে কোনও উত্তর পাননি৷ সুতরাং, তার পরবর্তী একাডেমিক ক্যারিয়ার এবং সে দেশে বসবাস এখন হুমকির মুখে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি দেশে বসবাসকারী বিজনেস স্টাডিজ বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী বলেছেন যে তিনি গত নভেম্বরে দুবার ব্যক্তিগতভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে তার একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট সংগ্রহ করার চেষ্টা করেছিলেন। দুর্ভাগ্যবশত, তিনি গুরুতর অসহযোগিতার সম্মুখীন হন এবং বলা হয় যে বিশ্ববিদ্যালয় শীঘ্রই তার সাথে যোগাযোগ করবে। এখন পর্যন্ত তিনি তার প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাননি।

সম্প্রতি নতুন ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ পূর্ববর্তী ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের কথিত দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগে পূর্ববর্তী সময় সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট এবং সার্টিফিকেট যাচাইকরণ প্রত্যাখ্যান করেছে বলেও জানা গেছে।

এসবিষয়ে প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করলেও কেউ গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি।

এনএইচ