গোপালগঞ্জে নিজ বাড়িতে অমিতোষ হালদার (২৬) নামে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। পাশে পাওয়া গেছে ‘সুইসাইড নোট’। পুলিশের ধারণা, ওই তরুণ আত্মহত্যা করেছেন।এতে ওই পরিবারে শোকের মাতম চলছে।
বুধবার দিবাগত রাতে সদর উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের পাটিকেলবাড়ি পূর্বপাড়া গ্রামের হালদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত অমিতোষ হালদার ওই গ্রামের ভুপেন হালদারের ছেলে। তিনি ঢাকার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের সম্মান শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে খাওয়া দাওয়া শেষ করে তার কক্ষে ঘুমাতে যায় অমিতোষ হালদার। গভীর রাতে তার বাবা-মা ঘুমিয়ে পড়লে ঘরের দরজা বাহির থেকে বন্ধ করে দিয়ে ঘর থেকে বের হয়। এরপর সে বাড়ির পাশে পুকুর পাড়ে একটি মেহগনি গাছের মগ ডালে রশি দিয়ে ফাঁস দেয়।
ভোর সাড়ে ৫টায় অমিতোষের বাবা-মা ঘুম থেকে জেগে বাহিরে বের হতে গেলে দরজা বাহির থেকে বন্ধ পায় এবং দেখেন অমিতোষ তার কক্ষে নেই। পরে প্রতিবেশীদের মোবাইল ফোনে ডেকে এনে দরজা খুলে বাহিরে বের হন। বাড়ির পাশে পুকুর পাড়ে গিয়ে অমিতোষকে একটি মেহগনি গাছের ডালের সঙ্গে ঝুলতে দেখে তারা চিৎকার দেয়। তাদের চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে অমিতোষকে গাছ থেকে নামায় এবং পুলিশে খবর দেয়।
বৌলতলী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক মো. আজিজুর রহমান বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তার লাশ উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছি। গত এক মাস যাবত তিনি বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। তবে সে বাড়িতে থাকাকালে আগের মতো উৎফুল্ল ছিল না বলে তার পারিবারিক সূত্রে জানতে পারি। মৃত্যুর কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।
এমআর





