শিক্ষা বোর্ড সূত্র জানায়, পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশের পর সম্পূরক পরীক্ষায় কারা অংশ নিতে পারবেন, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। প্রাথমিকভাবে এক থেকে দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের এ সুযোগ দেওয়ার কথা বিবেচনা করা হচ্ছে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এবং আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক জেসমিন তাসলিমা বানুর সই করা কর্মপরিকল্পনায় এ তথ্য জানানো হয়।

কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী, ১ থেকে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত সম্পূরক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়নের কাজ চলবে। এরপর ২ ডিসেম্বর থেকে পরীক্ষা নেওয়ার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। এ পরীক্ষার ফল প্রকাশের জন্য ৩১ ডিসেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে।

এদিকে এইচএসসি পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন গ্রহণ শুরু হবে ১ নভেম্বর। শিক্ষার্থীরা অনলাইনে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী, ৮ নভেম্বর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কাছ থেকে আবেদনকারীদের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এরপর ৯ থেকে ১২ নভেম্বর পর্যন্ত পুনর্মূল্যায়নের পরীক্ষক নিয়োগ ও উত্তরপত্র সংগ্রহের কাজ চলবে।

১৩ থেকে ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়ন করা হবে। ২০ নভেম্বরের মধ্যে নম্বর পরিবর্তনসংক্রান্ত বিবরণী ও উত্তরপত্র কম্পিউটার সেলে পাঠাতে হবে।

পরবর্তী সময়ে ২১ থেকে ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত পরিবর্তিত নম্বর এন্ট্রি ও উত্তরপত্রের তথ্য যাচাই করা হবে। ২৪ থেকে ২৬ নভেম্বর চলবে চূড়ান্ত যাচাই কার্যক্রম।

সব প্রক্রিয়া শেষে ২৭ নভেম্বর পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ফল প্রকাশের পরই সম্পূরক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্যতা ও চূড়ান্ত সময়সূচি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত জানা যাবে।

এনএইচ