প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, লংমার্চের গাড়িবহর খুলনার শিববাড়ি থেকে ফুলতলার দিকে যাওয়ার পথে ফুলবাড়ীগেট এলাকায় পৌঁছানোর আগেই হেলমেট পরা কয়েক ব্যক্তি পরপর চার-পাঁচটি ককটেল নিক্ষেপ করেন। বিস্ফোরণের পর তাঁরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। এতে সেখানে উপস্থিত লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এর আগে ফুলবাড়ীগেট এলাকায় লংমার্চকে স্বাগত জানাতে নির্মিত একটি তোরণে আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটে। পরপর এসব ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। তবে ককটেল নিক্ষেপ ও তোরণে আগুন দেওয়ার ঘটনায় কারা জড়িত, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর খানজাহান আলী থানার সহকারী সেক্রেটারি ইসমাইল হোসেন পারভেজ অভিযোগ করেন, মিরেরডাঙ্গা এলাকার দুজন যুবদল নেতার নেতৃত্বে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর খানজাহান আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বলেও দাবি করেন তিনি। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের খানজাহান আলী থানার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। থানার ওসি মো. আবুল বাসারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। তবে একটি গোয়েন্দা সংস্থার একজন সদস্য ঘটনার তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এস
















