বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) রাত ৯টার দিকে কলেজটির প্রধান ফটকের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়।
এ সময় তারা "আবু সাইদ মুগ্ধ", "শেষ হয়নি যুদ্ধ", "শিক্ষা ও সন্ত্রাস একসাথে চলে না", "বোমাবাজদের বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট অ্যাকশন", "চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট অ্যাকশন", "স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট অ্যাকশন" ইত্যাদি স্লোগান দেন।
এই সময়ে তিতুমীর কলেজের সমন্বয়ক নিরব হাসান সুজন বলেন, আমাদের ক্যাম্পাসে একটি ছাত্র সংগঠনের কমিটি দেওয়াকে কেন্দ্র করে বোমাবাজি হয়েছে, যা আমরা তীব্র নিন্দা জানাই। শুধু তিতুমীর কলেজ নয়, বিভিন্ন ক্যাম্পাসেও বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছে। ২৪ শের গণঅভ্যুত্থানের দুই হাজার শহীদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আছি। আমাদের যদি ক্যাম্পাসে ফ্যাসিবাদী শাসনামলের মতো দুর্বিষহ যন্ত্রণা সহ্য করতে হয় এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চলতে থাকে, তাহলে ২৪ শের গণঅভ্যুত্থানের মতো আবারও লড়াই করতে হবে। আমরা চাই, ক্যাম্পাসে একটি সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় থাকবে এবং শিক্ষার্থীরা সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণে ভূমিকা রাখবে।
প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার সরকারি তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের ৩৯ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণার পর থেকে তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাসে দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল করে। গতকাল দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কলেজের প্রধান ফটকের সামনে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
এনএইচ





