মা, এ-ই যে তুমি এতো কাছে আছো,
তবু তোমায় দেখতে পাইনা যেন।
সারাদিনের কাজের মাঝে,
তোমার ম্লান মুখখানা ভাসে।
কখনও হাসো কখনও কাঁদো,
খুঁজে দেখিনি, কারণ কখনও।
কতো কতো সন্তান জন্ম দিয়েছো,
ছড়িয়ে ছিটিয়ে ভরিয়ে রেখেছো।
বটবৃক্ষের সহস্র শেকড়ের মতো,
মায়ার শরীরে, মমতার জাল পেতেছো।
সে জালে আটকে আছি, প্রগাঢ় ভালবাসায়,
এসব ভেবে, কতটুকুই বা কাঁদায় আমায়।
হন্যে হয়ে ছুটে চলেছি, আপন খেয়ালে,
দেখতে পাইনি জল, মায়ের চোখের কোণে।
কতো অশ্রু ঝরেছে –নিরবে,
কেউ দেখেনি, ঝরে ঝরে অদৃশ্য হয়েছে।
এ-র ই নাম মা,
জানিনা,পাব কি ক্ষমা?
শৈশবের কতো কথা মনে পড়ে,
ফজরের আযানের সময় হলে –
প্রাত্যহিক কাজে নেমে পড়তেন মা,
আমি থাকতাম তা'র আঁচল ধরা।
ছুটে চলতাম সাথে সাথে,
মা যাচ্ছেন হয়তো কলপাড়েতে।
যখনই যাচ্ছেন, যে কাজেতে,
আমিও লেগে আছি সবখানেতে।
মায়ের সেই আঁচলখানি মনে হলে,
মনের মধ্যে কেমন যেন হু হু করে ওঠে।
ডাক দিয়ে যায় সেসব পাখি, আজও কানের কাছে,
শৈশবেতে ঘুম ভাংগাতো গভীর ভালবেসে।
সেদিনের সে ঘুম ভাংগানি কিচির মিচির ডাকে,
মনে হলে, মনের মধ্যে আজও ছবি আঁকে।
মাকে নিয়ে সেসব দিনের কতো স্মৃতি আছে,
দোয়া করি মাকে যেন, পাই বেশিদিন কাছে।
এবিএস





