বুধবার (২৯ মার্চ ) সকালে স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন রমনা মডেল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ এইচ এম জোবায়ের।
উপাধ্যক্ষ মো: হারুনুর রশিদ ও শিক্ষক ইয়াকুব আলী’র যৌথ পরিচালনায় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রমনা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবদুল্লাহ আল মারুফ।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, রমনা মডেল স্কুল এন্ড কলেজ এর সাবেক অধ্যক্ষ এবং উত্তরা আই.ই.এস উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ড. মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, ম্যানেজিং কমিটি সদস্য ও বিশিষ্ট্য সমাজ সেবক আবু জাফর মো: সালেহ, সামছুল আরেফীন, মো: আবুল হোসেন এবং আক্তার হোসেন।
প্রধান অতিথি আবদুল্লাহ আল মারুফ বলেন, রমনা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটিকে আরো সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সবাইকে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি সরকার প্রণীত নতুন শিক্ষা কারিকুলাম নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেন।
নতুন কারিকুলামের যৌক্তিকতা তুলে ধরে মারুফ বলেন, বর্তমান সরকার ২০৪১ সাল নাগাদ দেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তর করতে চায়। সেজন্য শিক্ষার্থীদেরকে আধুনিক শিক্ষা পদ্ধতি ও প্রায়োগিক বিষয়ে অধিক জ্ঞাত ও পারদর্শি করে তুলতে হবে।
ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যেন নিজেদেরকে বিশ্ব মানের নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হয়। জাতীয়-আন্তর্জাতিক যে কোন প্রতিযোগিতায় আমাদের ছেলে-মেয়েরা যাতে কাঙ্খিত ফলাফল বয়ে আনে।
তিনি রমনা মডেল স্কুল এন্ড কলেজকে এত সুন্দর একটি অনুষ্ঠান করার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
অধ্যক্ষ এইচ এম জোবায়ের তার বক্তব্যে বলেন, রমনা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ একটি ব্যতিক্রমধর্মী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। কোয়ালিটি মানুষ তৈরির জন্য কোয়ালিটি এডুকেশনের কোন বিকল্প নাই। আর কোয়ালিটি এডুকেশন কখনও নৈতিকতা বিমূখ হতে পারে না।
রমনা মডেল তার শিক্ষার্থীদেরকে পড়াশোনার পাশাপাশি উন্নত ও মহৎ চরিত্রের মানুষ হওয়ার জন্য প্রস্তুত করে থাকে। আর এজন্য স্কুলটি একটি সমন্বিত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে চলেছে।
অনুষ্ঠান শেষে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে প্ররস্কার তুলে দেওয়া হয়। শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের পদভারে স্কুল আঙ্গিনা মাঠ কানায় কানায় ভরে যায় এবং সকলের মাঝে এক নতুন উদ্দম ও উৎসাহের সৃষ্টি হয়। (প্রেসবিজ্ঞপ্তি)
এন





