রোববার (১৯ জুলাই) অনুষ্ঠিত পরীক্ষার তথ্য প্রকাশ করেছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।

তথ্য অনুযায়ী, আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে রসায়ন (তত্ত্বীয়) প্রথম পত্র, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি প্রথম পত্র, ইতিহাস প্রথম পত্র, গৃহ ব্যবস্থাপনা ও পারিবারিক জীবন প্রথম পত্র এবং উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন প্রথম পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। একই সময়ে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে আল-ফিকহ দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা নেওয়া হয়।

প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে ১৭ হাজার ৫২৮ জন এবং মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ৫ হাজার ৪৩ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। সব মিলিয়ে মোট অনুপস্থিতির সংখ্যা দাঁড়ায় ২২ হাজার ৫৭১ জন।

পরীক্ষা চলাকালে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে মোট ১৩ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এর মধ্যে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ৯ জন এবং মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ৪ জন।

বোর্ডভিত্তিক তথ্যে দেখা গেছে, সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে ঢাকা বোর্ডে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৩৫২ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। এ বোর্ডেই সর্বোচ্চ চারজন পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন। এছাড়া রাজশাহী বোর্ডে ২ হাজার ৭৩৮ জন, যশোরে ২ হাজার ১৭৩ জন, দিনাজপুরে ২ হাজার ৪০৬ জন, কুমিল্লায় ১ হাজার ৭১২ জন, বরিশালে ১ হাজার ৬০৪ জন, সিলেটে ১ হাজার ২৮৬ জন এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে ১ হাজার ২৫৭ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। ময়মনসিংহ বোর্ডে কোনো বহিষ্কারের ঘটনা ঘটেনি।

আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৬ লাখ ৪৭ হাজার ৭৫০ জন। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ৬ লাখ ৩০ হাজার ২২২ জন। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে গড় অনুপস্থিতির হার ছিল ২ দশমিক ৭১ শতাংশ।

অন্যদিকে, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে আল-ফিকহ দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল ৬৯ হাজার ২২৮ জন শিক্ষার্থীর। এর মধ্যে ৬৪ হাজার ১৮৫ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়। এই বোর্ডে অনুপস্থিতির হার প্রায় ৭ দশমিক ২৮ শতাংশ।

এদিকে, বন্যা ও জলাবদ্ধতার কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা এখনো স্থগিত রয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে রোববার কোনো পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি।

এস