সীতাকুণ্ড অতিক্রমকালে আয়োজিত এই পথসভায় বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। লংমার্চের বহর মহাসড়ক দিয়ে চট্টগ্রামের দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় তার দেওয়া বক্তব্যের সময় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়।

সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না করার সমালোচনা করে জামায়াত আমীর বলেন, ক্ষমতায় যাওয়ার আগে জনগণকে যেসব বড় বড় ওয়াদা দেওয়া হয়েছিল, তার অনেক কিছুই পূরণ হয়নি। দু-একটি কার্ড বিতরণ ছাড়া খেটে খাওয়া মানুষের মৌলিক সমস্যার টেকসই সমাধান হয়নি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

দেশের মানুষের ঘাম ঝরানো উপার্জনের অর্থ দুর্নীতিবাজদের পকেটে চলে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ অবস্থার অবসান ঘটাতে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। পথসভায় উপস্থিত জনতার উদ্দেশে তিনি প্রশ্ন রাখেন—‘আপনারা কি এই দুর্নীতির পকেটগুলো বন্ধ করতে প্রস্তুত?’ এ সময় উপস্থিত জনতা হাত তুলে সমর্থন জানান।

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে তাদের মতামত স্পষ্ট করেছে। গণতন্ত্রে বিশ্বাস থাকলে জনগণের সেই রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। এটি কারও দয়া বা করুণা নয়, বরং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার।

লংমার্চে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীদের ত্যাগের প্রশংসা করে তিনি বলেন, হাজার হাজার মানুষ কষ্ট স্বীকার করে একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে এ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছে। জনগণের অধিকার আদায়ের এই সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরও বলেন, ‘অধিকার আমরা আদায় করেই ছাড়ব, ইনশাআল্লাহ। আমাদের অধিকার ও সংগ্রামের জাহাজ বন্দরে একদিন ভিড়বেই।’

পথসভায় উপস্থিত নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা হাত তুলে এবং মোবাইল ফোনের আলো জ্বালিয়ে তার বক্তব্যের প্রতি সমর্থন জানান। পরবর্তীতে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে পথসভা শেষ হয়।

এস