সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা স্কাউট কামরুল হাসান মারুফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাজহারুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. হাবীবুর রহমান, জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল, গুরুদয়াল সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. সিদ্দিকুল্লাহ, স্কাউট উপদেষ্টা অধ্যক্ষ রবীন্দ্রনাথ চৌধুরী এলটি, হয়বতনগর আলীয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও জেলা রোভারের সহ-সভাপতি মাওলানা আজিজুল হক, কিশোরগঞ্জ টেকনিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ হারুন অর রশীদ এবং জেলা রোভারের সম্পাদক কামরুল আহসান প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, স্কাউটিং শুধু একটি সংগঠনভিত্তিক কার্যক্রম নয়; এটি তরুণদের নৈতিকতা, শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ, নেতৃত্ব ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশের কার্যকর মাধ্যম। ‘প্রস্তুত থাকো’—স্কাউটিংয়ের এ মূল চেতনা তরুণদের যেকোনো পরিস্থিতিতে দায়িত্বশীল ও সেবামুখী ভূমিকা পালনে উদ্বুদ্ধ করে।
তারা আরও বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলা, জনসচেতনতা সৃষ্টি, পরিবেশ সংরক্ষণ, সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ড এবং জনসেবায় স্কাউট ও রোভার স্কাউটদের অংশগ্রহণ দায়িত্বশীল নাগরিক গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
বক্তারা কিশোরগঞ্জকে দেশের প্রথম শতভাগ রোভার জেলা হিসেবে গড়ে তোলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রোভার স্কাউট, স্কাউট লিডার, শিক্ষক ও সংগঠকদের অভিনন্দন জানান। তাদের মতে, এ অর্জন শুধু সাংগঠনিক সাফল্য নয়, বরং তরুণদের মধ্যে স্বেচ্ছাসেবা, নেতৃত্ব ও দেশপ্রেমের চর্চা বিস্তারের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
অনুষ্ঠানে স্কাউট ও রোভারদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করা হয়। এসব পরিবেশনায় দেশপ্রেম, মানবিকতা, ঐক্য, সেবা ও তারুণ্যের শক্তি তুলে ধরা হয়। উৎসবমুখর পরিবেশে জেলা রোভারের ৩৬ বছরের অর্জন ও গৌরব স্মরণের পাশাপাশি আগামী দিনে আরও বৃহৎ পরিসরে মানবসেবা ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে রোভারদের সম্পৃক্ত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
এস
















