সোমবার ঢাকা-১৫ আসনে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ করা খেলাধুলার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তিনি ভালো ফুটবল খেলতে পারেন। বল সামনে এলে কিক করতে পারেন কি না, নিশানা ঠিক রেখে গোলবারে পাঠাতে পারেন কি না কিংবা সতীর্থকে পাস দিতে পারেন কি না—তা মাঠে নামলেই বোঝা যাবে।
তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেন জামায়াত আমির।
তিনি বলেন, বস্তুগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। সংসদে এ বিষয়ে দাবি জানানো হলেও বর্তমানে সমাজে সেই ব্যবস্থা আগের মতো নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তরুণদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধের চর্চাও জরুরি। এ দুটির সমন্বয়ে তরুণ প্রজন্মকে গড়ে তুলতে হবে।
খেলাধুলায় ভালো করা ক্লাবগুলোর পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া ক্রীড়া সামগ্রীর ব্যবহার ও কার্যক্রমের বিষয়ে তারা নিয়মিত খোঁজ রাখবেন।
যেসব ক্লাব ভালো করবে, সরকার সহযোগিতা করুক বা না করুক, তাদের সাধ্যমতো সহায়তা করার কথাও জানান তিনি।
খেলাধুলায় ভালো করার পাশাপাশি যারা সমাজ গঠনে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করবে, তাদের বিশেষভাবে পুরস্কৃত করার পরিকল্পনার কথা জানান জামায়াত আমির। প্রতিবছর খেলোয়াড় ও ক্লাবের সদস্যদের নিয়ে একটি মিলনমেলার আয়োজনের পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানান তিনি।
নিজের ফুটবল খেলার স্মৃতিচারণ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তিনি যদি ফুটবল খেলতে পারেন, তাহলে তরুণরাও পারবেন। সবাইকে খেলাধুলার মাধ্যমে নিজেদের গড়ে তোলার পাশাপাশি অন্যদেরও উৎসাহিত করার আহ্বান জানান তিনি।
সমাজ পরিবর্তনে সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, নিজেদের উন্নয়নের পাশাপাশি অন্যদের গড়ে তুলতে হবে এবং সবাইকে নিয়ে সমাজ পরিবর্তনের উদ্যোগ নিতে হবে।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে অংশগ্রহণকারীদের অভিনন্দন জানান তিনি এবং আয়োজকদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
এস





