সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দু'গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ চলছে। এ সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত পাঁচজন গুলিবিদ্ধসহ ১৩ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
আধিপত্য বিস্তার, নতুন কমিটির বিরুদ্ধাচারণ ও হল দখলকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দু’গ্রুপের মধ্যে ভয়াবহ এ সংঘর্ষের সূত্রপাত বলে জানাগেছে। এর পর থেকে এখনো সংঘর্ষ চলছে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক জানিয়েছেন, দু তিনশ’ জনের বহিরাগত একটি দল দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেছে।
খলিলুর রহমান নামে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের এক ছাত্র গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তবে অপর দু’জনের পরিচয় প্রাথমিকভাবে জানা যায়নি।
সিলেট মহানগর পুলিশের জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আখতার হোসেন জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে।
এর আগে সকালে ছাত্রাবাসে ব্যাপক ভাঙচুর করে ছাত্রলীগের একাংশ। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সুমন-নাঈম গ্রুপ এ ভাঙচুর করে।
হামলাকারীরা শাহপরান হলে অন্তত ৪০টি কক্ষ ভাঙচুর করে। একই সময়ে তারা দ্বিতীয় ছাত্র হলেও ভাঙচুর করে। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের একাধিক সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান- সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সুমন ও নাঈম গ্রুপের ছাত্রলীগ কর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহপরান হলে ব্যাপক ভাঙচুর করে। একই সময়ে তাদের পক্ষের লোকজন দ্বিতীয় ছাত্র হলেও ভাঙচুর চালায়। এসময় তারা কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটালে সাধারণ শিক্ষার্থীরা আতঙ্কে হল ছেড়ে পালায়।
ক্যাম্পাস সূত্র জানায়- এর আগে হলগুলো ছাত্রলীগের উত্তম ও অঞ্জনের দখলে ছিল। সম্প্রতি পার্থকে সভাপতি করে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। নতুন এ কমিটির বিরুদ্ধাচারণ করে সুমন-নাঈম গ্রুপের ছাত্রলীগ কর্মীরা। এরই জের ধরে বৃহস্পতিবার তারা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটায়।
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. হিমাদ্রি শেখর রায় বলেন- পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা চলছে।
জেএ





