আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন। এরপর মামলাটি আমলে নিয়ে বদরুদ্দিন আহমেদ রাহীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
সারিকা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমি সংসার জীবন নিয়ে অতিষ্ঠ। সে (রাহী) আমাকে শারীরিক, মানসিক ও আর্থিক- সব দিকেই টর্চার করেছে। একজন নারী কখন ঘরের বিষয়গুলো প্রকাশ্যে আনে-এটা সবাইকে বুঝতে হবে। বিষয়টি পারিবারিকভাবে বেশ কয়েকবার সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু লাভ হয়নি। দিনকে দিন আরও খারাপের দিকে গেছে। তাই বাধ্য হয়ে বিচার চেয়ে আদালতে গিয়েছি।’
সারিকার আরও জানান, ‘আমাদের বিয়ের সময় ২০ লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করা হয়। আমার পরিবারের পক্ষ থেকে ২৫ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার, আসবাবসহ সাংসারিক জিনিসপত্র দেওয়া হয়। বিয়ের কয়েক দিন যেতে না যেতেই সে আমার কাছে ৫০ লাখ টাকা দাবি করে। আমার পরিবার থেকে তার জন্য টাকা আনতে বলে। আমি রাজি হইনি বলে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে, মারধর করে। এই মারধরের ঘটনা ঘটেই যাচ্ছিল, যার ফলে মামলা করতে বাধ্য হই।’ জানা গেছে, সংসারজীবনে অতিষ্ঠ সারিকা বিচ্ছেদের পথেই হাঁটছেন।
প্রসঙ্গত, একটি মোবাইল অপারেটর কোম্পানির বিজ্ঞাপন করার মাধ্যমে ২০০৬ সাল থেকে সারিকা মিডিয়াতে পথ চলা শুরু করেন। বিজ্ঞাপনটিতে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন।
পরে মডেলিং এর পাশপাশি হুট করেই নাটকে অভিনয়ের প্রস্তাব পেয়ে যান তিনি। আশুতোষ সুজনের পরিচালনায় সেই নাটকের নাম ছিল ‘ক্যামেলিয়া’। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তার। একের পর এক নাটকে অভিনয় করে জায়গা করে নিয়েছেন দর্শকের হৃদয়ে।
রাহীর সঙ্গে এটি সারিকার দ্বিতীয় বিয়ে। এর আগে ২০১৪ সালে মাহিম করিম নামে এক ব্যবসায়ীকে বিয়ে করেন সারিকা। তবে ২০১৬ সালে দুজনের ডিভোর্স হয়ে যায়। সেহরিশ আনায়া নামে তাদের এক কন্যাও রয়েছে।
এন





